টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ভাতার কার্ড বিতরণে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী কার্ডের বিনিময়েও অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন যাবত্ অভিযোগটি ফাইলবন্দি রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধুবড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মফিজ উদ্দিন বয়স্ক, বিধবা, গর্ভকালীন ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড বিতরণে ব্যক্তিভেদে ৩-৬ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে জানান ভাতাভোগীরা। তার চাহিদা মোতাবেক টাকা দিতে না পারলে ভাতা পাওয়ার উপযোগী হওয়া সত্ত্বেও মেলে না ভাতার কার্ড। সরেজমিন একাধিক ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় গত ১৯ মে এলাকাবাসীর পক্ষে মো. রফিকুল ইসলাম ইউএনও বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগটি তদন্তে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে প্রদান করেন। এদিকে এক মাসের অধিককাল পেরিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যদিও ইউপি সদস্য মফিজ মোবাইল ফোনে সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কার্ডধারী কোনো ভাতাভোগীর কাছ থেকে তিনি টাকা-পয়সা নেননি। অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সৌরভ তালুকদার বলেন, ইউপি সদস্য মফিজের ভাই মৃত্যুবরণ করায় তদন্ত বিলম্ব হচ্ছে। তবে আগামী মাসের যেকোনো সময় তদন্ত সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি জানান।
