টেস্ট মিসের আফসোস মুশফিকের

আপডেট : ২৮ জুন ২০২০, ২০:২৯

স্পোর্টস রিপোর্টার

সময়টা মুশফিকুর রহিমের জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং।

মিরপুর স্টেডিয়ামে কাকপক্ষী না থাকলেও একটা মানুষের উপস্থিতি সবসময় টের পাওয়া যায়। লম্বা ছুটিতে ক্রিকেটাররা যখন একটু জিরিয়ে নেন, তখনো তিনি একা একা হাজির হয়ে যান অনুশীলনে। সবাই মাঠে আসার এক ঘণ্টা আগে তিনি ব্যস্ত হয়ে পড়েন নিজের ট্রেনিংয়ে। সেই মানুষটার মাঠ ছেড়ে দূরে থাকাটা একটু কঠিন ব্যাপার।

মুশফিক নিজেই বলছিলেন, এটা আসলেই হতাশার একটা সময়। এ সময়ে তিনি সবচেয়ে বেশি আফসোস করছেন অনেকগুলো টেস্ট মিস হয়ে যাওয়ায়।

কয়েকটা মাস খেলার বাইরে থাকার কষ্ট নিয়ে বলতে গিয়ে মুশফিক বলছিলেন, ‘অবশ্যই এটা চ্যালেঞ্জিং। আর খেলোয়াড় হিসেবে এটা হতাশার একটা সময়। তবে আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। এমনও হতে পারত যে, আমি ইনজ্যুরড হতে পারতাম। পাঁচ-ছয় মাস হয় তো আমাকে এমনিতেই ক্রিকেটের বাইরে থাকতে হতো।’

তবে এ সময়টাতেও মুশফিক নিজেকে ইতিবাচক রাখার চেষ্টা করছেন। বলছিলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, ইতিবাচক চিন্তা করার। আমি মনে করি, একটা ব্রেক খেলোয়াড়দের জন্য মাঝে মধ্যে দরকার; এত বেশি না। তবে ব্রেক পেলে নিজের খেলা নিয়ে আলাদা করে চিন্তা করার সুযোগ পাওয়া যায়। আল্লাহর রহমতে গত কয়েকটা বছর ভালো গেছে। সেটাকে আবার একটু রিভাইজ করার একটা সুযোগ পাওয়া গেল।’

এতকিছুর মধ্যে মুশফিককে বেশি পোড়াচ্ছে একগাদা টেস্ট মিস করার কষ্ট। তিনি বলছিলেন, ‘১০টা টেস্ট খেলার যে অপরচুনিটি আমরা পেয়েছিলাম, সেটা বড় একটা লস হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ক্ষতি। আমাদের টেস্ট ক্রিকেটে ২০ বছর হয়ে গেল। সে হিসেবে আমাদের যা উচিত ছিল সেরকম কনসিসটেন্টলি আমরা পারফরম্যান্স করতে পারিনি। এর একটা অন্যতম কারণ ছিল, আমরা বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাই না। সেখানে এ বছর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কারণে অনেকগুলো ম্যাচের সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু এই প্যানাডেমিকের কারণে তা হচ্ছে না। প্রতিটা সিরিজ বাতিল হয়ে যাচ্ছে। এখন আশা করছি, আল্লাহ যেনো দ্রুত আবার আমাদের খেলায় ফিরিয়ে আনেন।’