অনুশীলনে ফুটবল ক্লাবগুলো

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:২১

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সাময়িক বিরতির পর ক্লাবগুলো মাঠে নামতে শুরু করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে পেশাদার ফুটবল লিগের প্রায় সব ক্লাব অনুশীলনে নেমে পড়েছে।

আবাহনীর ফুটবলাররা ছুটি কাটিয়ে গত বুধবার হতে অনুশীলন শুরু করে। দলের পর্তুগীজ কোচ লুসিয়ানো লেমস প্রথম দিনের অনুশীলনে ছিলেন না। ঢাকায় ফিরে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে অনুশীলনের দায়িত্ব নেন বলে জানান দলের ফুটবল ম্যানেজার সত্যজিত দাস রুপু। তিনি জানিয়েছেন, দলের দেশি এবং বিদেশি সব খেলোয়াড় প্রথম দিনেই অনুশীলনে নেমেছেন। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের অনুশীলন গত বুধবার শুরু হয়। দলের নাইজেরিয়ান কোচ যোসেফ আফুসি লন্ডনে বড়দিন পালন করতে গিয়ে এখনো ফেরেননি।

শেখ জামালের ম্যানেজার আনোয়ারুল করিম হেলাল জানিয়েছেন আফুসি ফিরবেন আগামীকাল শনিবার। দলের আর্জেন্টাইন ট্রেইনার কোলম্যান এখন খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে কাজ করছেন। চট্টগ্রাম আবাহনী যাচ্ছে বিকেএসপিতে।

বাংলাদেশের সবচাইতে বড় এ ফুটবল আসরটি ১৮ জানুয়ারি শুরু হবে। দিনক্ষণ ঠিক করে বছরের প্রথম দিনে লিগের ১৩ ক্লাবকে চিঠি দিয়েছে বাফুফের লিগ কমিটি। খসড়া ফিকশ্চারও ঘোষণা করেছে। ক্লাবগুলোকে বলা হয়েছে কোনো মতামত থাকলে জানাতে।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিগের প্রথম ম্যাচ খেলবে নবাগত নোফেল ক্লাবের বিপক্ষে। এবার লিগের খেলা হবে দেশের আট ভেন্যু ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, সিলেট, চট্টগ্রাম, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, নীলফামারী ও নোয়াখালীতে।

ঢাকায় যখন খেলা হবে তখন একই সময়ে ফরিদপুরে শেখ জামাল খেলবে স্বাধীনতা কাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে। পরদিন ১৯ জানুয়ারি চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা ও চট্টগ্রাম আবাহনী এবং ময়মনসিংহে সাইফ স্পোর্টিং ও রহমতগঞ্জ মুখোমুখি হবে। সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন ভেন্যুগুলো আদৌ প্রস্তুত কিনা।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম হলো আবাহনী, মোহামেডান, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও রহমতগঞ্জের ভেন্যু। অপরদিকে সিলেটে শেখ রাসেল, চট্টগ্রামে চট্টগ্রাম আবাহনী, গোপালগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা, ফরিদপুরে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব, ময়মনসিংহে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব, নীলফামারীতে বসুন্ধরা কিংস এবং নোয়াখালীকে নোফেল ও বিজেএমসির ভেন্যু হিসেবে ঠিক করা হয়েছে।

জানা গেছে এইসব ভেন্যুতে এখনই খেলা সম্ভব না। কারণ সিলেটে ফুটবল ছাড়াও অন্যান্য খেলা হয়। তারা ক্রিকেট এবং ফুটবলের জন্য চিঠি পেয়েছেন বলে জানা গেছে। জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন তারা ক্রিকেট এবং ফুটবলের জন্য চিঠি পেয়েছেন। কোনটা করবেন তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন।

ঢাকার বাইরের ভেন্যুগুলো এখনো প্রস্তুত নয়, অনেক মাঠে ঘাসও নেই। ড্রেসিং রুম ব্যবহারের অনুপযোগী। প্রথম শ্রেণির ফুটবল ম্যাচ হতে যা কিছু প্রয়োজন সেখানে তা নেই। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ আগেই জানিয়েছেন বাফুফে হতে মাঠ পরিদর্শন করা হয়েছে, সংস্কার কাজ করতে হবে। লিগ কমিটির কম্পিটিশন ম্যানেজার জাবির বিন তাহের আনসারী জানিয়েছেন সিলেট এবং চট্টগ্রামে খেলা হবে।