করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণের অনুমতি পেল চীনা সেনাবাহিনী

আপডেট : ২৯ জুন ২০২০, ২১:৫৭

চীনা কোম্পানি ক্যানসিনোর করোনা ভ্যাকসিন সেনা সদস্যদের ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে চীনের সামরিক বাহিনী। সোমবার হংকংভিত্তিক কোম্পানিটি এ তথ্য জানিয়েছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।

বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানি প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের টিকা উদ্ভাবনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চীনের উহানে প্রথম ছড়ানো ভাইরাসটিতে বিশ্বের ১ কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত ও ৫ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃত ১৭টি ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটের মধ্যে অর্ধেকের বেশি চীনা কোম্পানি বা ইনস্টিটিউটের। স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল করা নথিতে ক্যানসিনো উল্লেখ করেছে, চীনা সামরিক ভ্যাকিসনটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে নিরাপদ এবং নোভেল করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধের সম্ভাবনা হাজির করেছে।

সোমবার কোম্পানিটি জানিয়েছে, চীনা সামরিক বাহিনী সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন ২৫ জুন এক বছরের জন্য ভ্যাকসিনটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। পরবর্তী অনুমোদন ছাড়া তা এক বছর পর ব্যবহার করা যাবে না। এ ভ্যাকসিন যৌথভাবে উদ্ভাবন করেছে ক্যানসিনো এবং অ্যাকাডেমি অব মিলিটারি মেডিক্যাল সায়েন্সের বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি।

চীনের বিশাল সামরিক বাহিনীতে কীভাবে এ ভ্যাকসিনের প্রয়োগ হবে স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে কিছু জানায়নি। চীনে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন করা এ ভ্যাকসিনটি বাজারজাত করার বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।

বিশ্বে আরো ১৩১টি ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেন্ট প্রাক-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে বিভিন্ন ধাপে থাকা কোনো ভ্যাকসিনই করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন পায়নি। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, এখনো গবেষণা পর্যায়ে থাকা করোনা ভাইরাসের একটি ভ্যাকসিন বেইজিংয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর শ্রমিকদের ওপর প্রয়োগ করছে চীন। রাজধানী শহরে নতুন করে সংক্রমণ শুরুর পর শ্রমিকদের এ ভ্যাকসিনটি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। চীনের ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ করপোরেশন (সিএনবিজি) এ টিকা উন্নয়নের কাজ চালাচ্ছে।