আত্মজীবনী লিখছেন ফেরদৌসী রহমান

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২০, ১৯:৪৪

 

একজন ফেরদৌসী রহমান, বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের পথিকৃত্। একাধারে একজন পল্লীগীতি, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত ও প্লেব্যাক সিঙ্গার। সংগীত জীবনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা সেই যে ছোট্টবেলায় শুরু হয়েছিল তা এখনো বহমান। জীবন চলার পথে গানে গানে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননা, সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশ বিদেশের নানান পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন আমাদের দেশের সংগীতাঙ্গনের এই গর্বিত ব্যক্তিত্ব। সবার প্রিয় ফেরদৌসী রহমান জীবনে প্রথম রেডিও’র ‘খেলাঘর’ অনুষ্ঠানে গান করেন ১৯৪৮ সালে। ‘আসিয়া’ সিনেমাতে তারই বাবা ভাওয়াইয়া সুরের সম্রাট আব্বাস উদ্দীনের সুরে আব্দুল করিমের লেখা ‘ও মোর কালারে’ গানটি গান। অবশ্য তার আগেই ‘এদেশ তোমার আমার’ সিনেমা মুক্তির মধ্যদিয়ে একজন প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে তার অভিষেক হয়। সেই থেকে কখনো একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে গান পরিবেশন করার জন্য, আবার কখনো ভাওয়াইয়া উত্সবের বিচারক হিসেবে হাজির হয়েছেন দর্শক-শ্রোতার সামনে। ফেরদৌসী রহমান বেশকিছুুদিন হলো নিজের আত্মজীবনী লিখছেন। তবে গত দু’বছর যাবত তিনি নিয়মিতই আত্মজীবনী লেখা নিয়ে ব্যস্ত। এই সময়ের সংগীতশিল্পীদের গায়কী প্রসঙ্গে ফেরদৌসী রহমান বলেন, ‘এখন যারা গান করছেন তাদের মধ্যে অধ্যবসায়টা খুবই কম। মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, সৈয়দ আব্দুল হাদী, খন্দকার ফারুক আহমেদের মতো বরেণ্য শিল্পীরা চাকরি করার পাশাপাশি গান করেছেন। তারা গানে অধ্যবসায়ী ছিলেন। আর এখন যারা গান করছেন তারা তো, শুধুই গান করছেন। যদি তাই হয় তাহলে সাধনা কেন করবে না? আমার কথায় রাগ হলেও আমি বলব, সঙ্গীত এমন একটি বিষয় যে যতো বেশি সাধনা করবে সে ততো বেশি স্থায়ী হতে পারবে।