স্বাধীনতার ৪৮ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বৈধভাবে দেশে স্বর্ণ আমদানি হয়েছে। এর আগে স্বর্ণ নীতিমালা না থাকার কারণে এ সুযোগ ছিল না। গত বছর স্বর্ণ নীতিমালা পাশ হয়।
জানা গেছে, দেশের ডায়মন্ড ব্যবসায় প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান ডায়ামন্ড ওয়ার্ল্ড এ স্বর্ণ আমদানি করেছে। গত মঙ্গলবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ স্বর্ণ এসে পৌঁছায়। ২৪ ক্যারেটের ১১ হাজার গ্রাম বা ৯৪৩ ভরি স্বর্ণ আমদানি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। দুবাই থেকে এ চালান এসেছে। এর আগে ১০ জুন স্বর্ণ আমদানির জন্য আবেদন করে। পরে যাচাই-বাছাই করে তা অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ বিষয়ে এফবিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ইত্তেফাককে বলেন, আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান সব সময়ে চেষ্টা করি আমাদের সেরাটি উপহার দিতে। প্রথম বা দ্বিতীয় হওয়ার জন্য নয়। এজন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। কারণ, স্বর্ণ নীতিমালা না হলে এটা করা সম্ভব ছিল না।
ডায়ামন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালা আরো বলেন, বাংলাদেশে জুয়েলারি শিল্পে অনেক সম্ভাবনা আছে। যার মাধ্যমে বিশ্ববাজারে আমরা ভালো অবস্থা তৈরি করতে পারব। তিনি বলেন, শেয়ারবাজার ও রিয়েল এস্টেট শিল্পের ধসের পরে স্বর্ণ ভালো বিনিয়োগের জায়গা।
বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি হওয়ার কারণে তুলনামূলক কম দামে ক্রেতারা স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার কিনতে পারবে বলেও আশা করেন তিনি। কারণ, এখন ২২ ক্যারেটের দামে ২৪ ক্যারেটের স্বর্ণ কিনতে পারবেন ক্রেতারা।
গত বছর নীতিমালা হওয়ার পরে স্বর্ণ আমদানিকারক ডিলারশিপের জন্য আবেদন আহ্বান করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে দুটি ব্যাংকসহ ৪৭টি প্রতিষ্ঠান ডিলারশিপের জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে একটি ব্যাংকসহ ১৮টি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স পায়। লাইসেন্সের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রেও ডায়ামন্ড ওয়ার্ল্ড প্রথম আবেদন করেছিল।
