১৮ ঘণ্টা পর গতকাল বুধবার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচল সীমিত আকারে শুরু হয়েছে। পাঁচটি ফেরি দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি চলাচল সচল করা হয়েছে বলে জানা যায়। এদিকে ২৯ যান ও কয়েকশ যাত্রী নিয়ে আটকে পড়া ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ফেরি সার্ভিস বন্ধ থাকায় বিশেষ বিবেচনায় লাশবাহী গাড়িসহ মোট ১১টি যান নিয়ে একটি এবং পরে অ্যাম্বুলন্সসহ জরুরি যান নিয়ে আরো দুইটি ফেরি ছাড়া হয় বলে জানান বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ম্যনেজার প্রফুল্ল চৌহান।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর আটকা পড়ার পরই মঙ্গলবার রাতেই এটি উদ্ধার করতে রওনা দেয় আইটি জাহাজ ৩৯৫ ও ৩৯৬। পরে গতকাল জাহাজ আইটি ৩৯৬ পদ্মার প্রচণ্ড সে াতে চরে আটকে যায়। এর পর আইটি ৩৯৫ উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। ফেরিটি উদ্ধার করত না পেরে প্রথমে দুপুরে আইটি ৩৯৫ ফেরিতে আটকা পড়া যাত্রীদের শিমুলিয়া ঘাটে নিয়ে আসে। যাত্রীদের নামিয়ে আবার জাহাজটি ফেরি উদ্ধারে যায়। পরে ‘অগ্রযাত্রা’ নামে ড্রেজিং সেক্টরের একটি জাহাজ পদ্মার চরে আটকে থাকা ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরকে উদ্ধারে আইটি ৩৯৫ এর সঙ্গে যুক্ত হয়। পরে উদ্ধার করা হয় ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর।
মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. সিরাজুল কবীর জানান, নদীতে প্রচুর সেবোট ও লঞ্চ চলাচলেও মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। সে াতের প্রতিকূলে এসব নৌযান চলছে ঝুঁকি নিয়ে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে কাঁঠালবাড়ি থেকে শিমুলিয়া আসার পথে ফেরিটি তীব্র স্রোতে বিকল্প চ্যানেলের মুখ থেকে ২০০ ফুট ভাটিতে পদ্মার চরে আটকে যায়। পরে রাত থেকে পুরো ফেরি সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়। চ্যানেল থেকে ২০০ ফুট দূরে থাকলেও পদ্মার অস্বাভাবিক স্রোতের কারণে ফেরি ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।
