ঝিনাইদহে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণের দাম বৃদ্ধিতে অস্বস্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আমন ধান ওঠার পর গত নভেম্বর থেকে দফায় দফায় চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে মোটা চাল ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি চিকন চাল বি আর-২৮ ও কাজললতা প্রতি কেজি ৪৪-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মিনিকেট প্রতি কেজি ৫০ টাকা থেকে ৫৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাসমতি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৬ টাকা থেকে ৫৮ টাকা দরে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস জানান, এবার এ জেলায় ৭৭ হাজার ৫৩৫ হেক্টরে বোরো চাষ হয়েছে। উত্পাদন হয়েছে ৫ লাখ টন। ঝিনাইদহ নতুন হাটখোলা বাজারের খুচরা চাল ব্যবসায়ীরা জানান, অটো রাইস মিলমালিকরা দফায় দফায় চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এর প্রভাবে খুচরা বাজারে চালের দাম বেড়েছে। তবে সপ্তাহখানেক দাম স্থির রয়েছে। হাট গোপালপুরের চালকল মালিক বিকাশ বিশ্বাস বলেন, বাজারে ধানের দাম মণপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমেছে। আর পাইকারি বাজারে চালের দাম কেজিপ্রতি দেড়-দু টাকা করে কমেছে। সবজির বাজারে আগুন। বেগুন প্রতি কেজি ৭০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পটল প্রতি কেজি ৬০-৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা দরে। কাঁচা মরিচের দাম চড়ে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পুঁইশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা এবং লালশাক ৮-১০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে ডালের দাম কমেছে। আবার মসলার দাম চড়া। জিরা প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, এলাচ প্রতি ১০ গ্রাম ৫০ টাকা এবং দারুচিনি প্রতি কেজি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
