জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও প্রবীণ সাংবাদিক ফারুক কাজী (৭১) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ..... রাজিউন)। গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি স্ত্রী এবং এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ফারুক কাজী কর্মজীবনে দীর্ঘদিন বাংলার বাণী, ইউএনবি, বিএসএস, অবজারভারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। সর্বশেষ কয়েক বছর আগে ইউএনবির প্রধান প্রতিবেদক পদ থেকে অবসরে যান।
নব্বই এর দশকের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি ও নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে মিনিস্টারের (প্রেস) দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ল রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি। সিনিয়র সাংবাদিক, নাট্যকার কাজী রশিদুল হক পাশা মরহুম ফারুক কাজীর সহোদর। সাংবাদিক ফারুক কাজীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। ফারুক কাজী ১৯৪৯ সালের ১৯ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার থানাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শুক্রবার বাদ জুমা কাঁটাবন মসজিদে জানাজা শেষে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন এক বিবৃতিতে ফারুক কাজীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল ও মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী, ল রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ওয়াকিল আহমেদ হিরন ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান রাজুসহ পেশাজীবী বিভিন্ন ব্যক্তি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
