মক্কা-মদিনার আদলে পশু কোরবানির সুপারিশ

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২০, ২২:১৭

ইত্তেফাক রিপোর্ট

পশু কোরবানির পদ্ধতির বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা মক্কা-মদিনার আদল অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, সে পদ্ধতি অনুসরণ করে দেশে পশু কোরবানি করা হলে ভোক্তা ও সরকার সবার জন্যই কল্যাণকর হবে। তারা বলেন, বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ অবশ্যই থাকতে হবে। কোরবানির গোশত প্রস্তুতকরণের সঙ্গে সংযুক্ত সবাই যেন সংক্রামক ব্যাধিমুক্ত থাকে, এটি নিশ্চিত করতে হবে। গোশত পরিবহনের জন্য ব্যবহূত তৈজসপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জীবাণুমুক্ত হতে হবে। এ ছাড়াও গোশত বিতরণের সময় স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা রাখা বাঞ্ছনীয়। বাসাবাড়িতে অনভিজ্ঞ লোক দিয়ে এটি করালে অনভিপ্রেত ঝুঁকির মাত্রা অনেক বেশি থাকে। গতকাল শনিবার সকালে এ সংক্রান্ত এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। সাদাকাহ ফাউন্ডেশন ইউএসএ ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করলে যিনি কোরবানি করবেন তার জন্য ব্যয় সাশ্রয়ী হয়, সরকারের জন্যও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মাত্রাতিরিক্ত খরচ করতে হয় না।

মূল প্রবন্ধে পবার যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, আমাদের সবার মূল লক্ষ্য হলো: ক্রমান্বয়ে পবিত্র মক্কা নগরীর আদলে কোরবানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা। মক্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক শায়েখ ইসমাঈল হোসাইন মাক্কী বলেন, প্রতি বছর ২০ লাখের বেশি মুসলমান হজ করেন এবং হজ উপলক্ষ্যে ১২ লাখেরও বেশি গবাদিপশু জবাই করা হয় মক্কায়। ইসলামিক আইন এবং জনস্বাস্থ্যের নির্দেশিকা মেনে কোরবানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য প্রায় ১৬ হাজারেরও অধিক কর্মচারী চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করে থাকেন মক্কায় স্থাপিত সরকারি কসাইখানায়। আরো বক্তব্য রাখেন সাদাকাহ ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ শহীদুল্ল­াহ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইন, এফ এম ৭৮৬ শহীদুল ইসলাম কবীর, ক্যাপিটাল এফএম এর অরণ্য জাহান, প্রজন্ম একাত্তরের তানভীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের জাহিদ হাসান মিলু প্রমুখ।