বিভিন্ন স্থানে করোনা উপসর্গে ১১ জনের মৃত্যু

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২০, ২২:৫০

বিভিন্ন স্থানে করোনার উপসর্গ নিয়ে ১১ জন মারা গেছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় ছয় জন, রাজশাহীতে দুই জন, বরিশালে দুই জন ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে ইত্তেফাক প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

কুমিল্লা :কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার লক্ষণ নিয়ে দুই নারীসহ ছয় জন মারা গেছেন। হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসিইউতে তিন জন এবং আইসোলেশনে তিন জন চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। শনিবার কুমেক হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. ইশতিয়াক চৌধুরী জানান, সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এই হাসপাতালে আদর্শ সদর উপজেলার আবদুল কাদের (৬০), ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আবদুল করিম (৭৫), চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বাসুদেব (৭২), গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার   লুত্ফুর নেছা (৬২), কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার জামাল উদ্দিন (৫২) ও চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার নাজমা রহমান (৫০) মারা গেছেন। 

বরিশাল :বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন জানান, শনিবার ভোরে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সুনিল কুমার (৫০) আইসিইউতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। গত ৫ জুন করোনা ওয়ার্ডে তিনি ভর্তি হন। এছাড়া করোনা পজিটিভ হয়ে একই দিন সকাল সাড়ে ৫টায় আইসিইউতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান পিরোজপুর সদরের সেনখালী এলাকার শফিকুল ইসলাম (৫০)। গত ২৮ জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন তিনি।

রাজশাহী :শুক্রবার রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় করোনার উপসর্গে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নগরীর রাজপাড়ার গিয়াস উদ্দিন (৪৫) ও বোয়ালিয়ার আবদুল ওয়াহেদ (৫৭)। রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, দুই জনেরই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ :টুঙ্গিপাড়ায় করোনার উপসর্গে কাজী আলমগীর (৬৫) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনেরা অবহেলার অভিযোগ এনে কর্তব্যরত চিকিত্সককে লাঞ্ছিত করে। জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া সদরের কেড়ালকোপা গ্রামের কাজী আলমগীর সাত-আট দিন যাবত্ জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ করোনার উপসর্গে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে স্বজনেরা তাকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর কিছুক্ষণ পরেই তিনি মারা যান। এ সময় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে চিকিত্সক ডা. অপূর্ব বিশ্বাসকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে স্বজনেরা। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে কর্মবিরতি পালন করবেন বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকেরা।