বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২০, ১৯:২৭

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

মিজানুর রহমান, সহকারী শিক্ষক

পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়

 প্রশ্ন: নিচের ছকটি দেখে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

প্রশ্ন:ক. বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী ?

প্রশ্ন:খ.বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা  কী ধরনের ? ব্যাখ্যা করো।

প্রশ্ন:গ.ছকে ‘A’চিহ্নিত স্থানটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে ? তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে  এর গঠন প্রণালী বুঝিয়ে বলো।

প্রশ্ন:ঘ. ছকে ‘ A’ চিহ্নিত স্থানটি কী কী কাজ সম্পাদন করে তোমার মূলবইয়ের আলোকে বুঝিয়ে বলো। 

উত্তর:ক. বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।

উত্তর: খ. বাংলাদেশে মন্ত্রীপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা চালু আছে। এতে প্রকৃত শাসন ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত আছে। তবে এ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদকে তাদের কাজের জন্য জাতীয় সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে হয়।

উত্তর: গ. ছকে ‘A’চিহ্নিত স্থানটি দ্বারা বিচার বিভাগকে  বোঝানো হয়েছে। সরকারের যে অঙ্গ বা বিভাগ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আইন অনুযায়ী বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বিচার বিভাগ বলা হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিচারালয়ের বিচারকদের নিয়ে এ বিভাগ গঠিত। বিচার বিভাগে সর্বোচ্চ স্তর হলো সুপ্রিম কোর্ট। এর প্রধানকে ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি’ বলা হয়। রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগ দেন। সুপ্রিম কোর্টের রয়েছে দুটি বিভাগ । আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ। এ দুটি বিভাগের বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

উত্তর: ঘ. ছকে ‘A’চিহ্নিত স্থানটি হলো বিচার বিভাগ। এ বিভাগটি দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে। দুষ্টের দমন ,শিষ্টের পালন , অপরাধীদের শাস্তি বিধান ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে নাগরিক জীবনকে সুন্দর ও সহজ করে তোলে। বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমার  মীমাংসামূলক রায় দেয়। সংবিধানের বিভিন্ন ধারা ও আইনের ব্যাখ্যা দেয়। দেশের সংবিধান ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করে। বিভিন্ন ধরনের তদন্তমূলক কাজ করে। দেশের বিভিন্ন ক্রান্তি লগ্নে বিচার বিভাগের যুগপোযোগী রায়ের মাধ্যমে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বিভাগটি  আইনত সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তার যাবতীয় কাজ সম্পাদন করে।