আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০-এর অধীনে ভার্চুয়াল আদালতে নারী ও কন্যা শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপপরিষদের উদ্যোগে অনলাইনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়।
পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে সভায় আলোচনা করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেয়াদ-আল-মালুম, অ্যাডভোকেট এস এম এ সবুর, অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট এ কে এম সোহেল আহমেদ, ব্যারিস্টার এ কে রাশেদুল হক, অ্যাডভোকেট রেজিয়া সুলতানা, অমিত দাশগুপ্ত এবং অ্যাডভোকেট এ কে এম আলমগীর পারভেজ ভুঁইয়া, মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু ও সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম। সভা সঞ্চালনা করেন লিগ্যাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড লবি পরিচালক অ্যাডভোকেট মাকছুদা আখতার।
ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, ‘কোভিড সংক্রমণ পরিস্থিতিতে নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি নির্যাতন বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু বিচার পাওয়ার সুযোগ সীমিত। ভাচুর্য়াল কোর্টের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার পাওয়ার যতটুকু সুযোগ তৈরি হয়েছে, কী সীমাবদ্ধতা আছে সে বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে করণীয় নির্ধারণ করতে হবে।’ মালেকা বানু বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার ক্ষেত্রে আমার কীভাবে ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে প্রতিকার পেতে পারি অলোচনার মাধ্যমে তা ঠিক করা জরুরি।’
অ্যাডভোকেট জেয়াদ-আল-মালুম বলেন, ‘কোভিড সংক্রমণের কারণে নারী নির্যাতনের নালিশি মামলার কার্যক্রম স্থগিত। স্থগিত হয়ে যাওয়া মামলাগুলো অবারিত করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। নারী ও শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে একসেস টু জাস্টিস বা নালিশি মামলা করার এবং পারিবারিক আদালতে প্রতিকার পাওয়ার সুয়োগ সৃষ্টি করতে হবে।’ সভায় বক্তারা নারী ও কন্যার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আদালতের এক্তিয়ার বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
