গত ৩০ জুন দৈনিক ইত্তেফাকে ‘বাসা থেকে নমুনা নিয়ে করোনার ভুয়া রিপোর্ট, সিন্ডিকেটের প্রধান ডা. সাবরিনা পলাতক’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন ডা. সাবরিনা চৌধুরী। এক ব্যাখ্যায় তিনি দাবি করেছেন, জোবেদা খাতুন সার্বজনীন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) মালিকানা বা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে কখনোই জড়িত ছিলেন না। তিনি গ্রেফতারকৃত ওভাল গ্রুপের মালিক আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী হওয়ায় তাকে মৌখিকভাবে চেয়ারম্যান বলে সম্বোধন করতেন। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার কোনো লিখিত চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক নেই।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : বাসায় গিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহ করে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গত ২৩ জুন তেজগাঁও থানা পুলিশ গুলশানের কনফিডেন্স টাওয়ারে জেকেজি ও ওভাল গ্রুপের অফিস থেকে আরিফুল চৌধুরীসহ ছয় জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আরিফুল চৌধুরী দুই দিনের পুলিশী রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তিনি এই প্রতারণার সঙ্গে তার স্ত্রী জাতীয় হূদেরাগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন ডা. সাবরিনা চৌধুরীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পুলিশকে জানিয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে পুলিশের দেওয়া বক্তব্য ও তথ্য প্রকাশ হয়েছে।
