বার্সেলোনা ৪ : ১ ভিয়ারিয়াল
স্পোর্টস ডেস্ক
রিয়াল মাদ্রিদ ঘণ্টা ছয়েক আগে নিজেদের ম্যাচে জেতায় বার্সেলোনার সঙ্গে ব্যবধান দাঁড়িয়েছিল সাত পয়েন্টের। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে বার্সা পা হড়কালেই লিগ জয়ের আশার সলিলসমাধি ঘটত। সেটা হতে দেননি লিওনেল মেসিরা। প্রতিপক্ষের মাঠে দারুণ খেলে ৪-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে ফিরেছে বার্সা।
গত রবিবার রাতে ম্যাচের শুরুতেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যাওয়া বার্সা প্রথম মিনিট থেকেই ছিল প্রাণবন্ত। কোচ কিকে সেতিয়েন এদিন মেসিকে খেলিয়েছেন লুই সুয়ারেজ আর আন্তনিও গ্রিজমানের ঠিক পেছনে। তাতে ফলটাও মিলল হাতেনাতে। গতিময় সব পাসে ভিয়ারিয়াল রক্ষণ খানিক পর পরই ভাঙছিল বার্সা। ১৪ মিনিটে একবার ভিয়ারিয়াল সমতা ফেরালেও ২০ আর ৪৫ মিনিটে অধিনায়কের জোগান থেকে গোল করে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দেন সুয়ারেজ আর গ্রিজমান। অন্তিম সময়ে দারুণ এক গোলে স্বাগতিকদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন তরুণ ফরোয়ার্ড আনসুমান ফাতি। এর ফলে ৩৪ ম্যাচে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে রিয়ালের চেয়ে ৪ পয়েন্টে পিছিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে তারা। লিগের আর চার রাউন্ড বাকি, রিয়াল এগিয়ে চার পয়েন্টে। এমন অবস্থায় বার্সাকে শীর্ষে ফিরতে হলে নিজেদের সবকটা ম্যাচ জিতলেই হবে না, প্রার্থনা করতে হবে রিয়ালের কমপক্ষে দুটো হোঁচটেরও! তবে বার্সা সহঅধিনায়ক জেরার্ড পিকে জানালেন শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে তার দল। ম্যাচের পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘পেছনে থাকাটাকে পছন্দ করি না আমরা। পরিস্থিতি পালটাতে লড়ে যাব আমরা। বার্সেলোনায় খেলা মানেই একেবারে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার জন্যে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকা।’ জয়ের পেছনে কোচের কৌশল পরিবর্তনের ভূমিকা অনেক, জানান পিকে। তিনি বলেন, ‘এমন পারফরম্যান্সের পেছনে অনেক কিছু কাজ করেছে, কৌশলে পরিবর্তন তারই একটা। এই পদ্ধতিতে আক্রমণভাগের তিন খেলোয়াড় আরো মাঝামাঝি খেলে আর পেনাল্টি অঞ্চল-গোলমুখের কাছাকাছি থাকে। আমরা এ পদ্ধতিতে খেলার চেষ্টা করছি বেশ কিছুদিন ধরেই, আর কোচও নতুন কিছু আবিষ্কারের কথা ভাবেন সবসময়ই।’
