সব আয়োজন সত্ত্বেও ভিয়েতনাম থেকে ফেরেননি ২৭ বাংলাদেশি :পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২০, ০০:৪৮

করোনা সংকটের মধ্যে বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করার পরও ভিয়েতনাম থেকে ফেরেননি ২৭ বাংলাদেশি। গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিয়েতনামে বাংলাদেশ মিশন থেকে জানানো হয়েছে, ২৭ বাংলাদেশি মানবপাচারের শিকার হয়ে এখন হ্যানয়ের একটি হোটেলে অবস্থান করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিয়েতনামে বিদেশি কর্মীদের কাজের খুব বেশি সুযোগ নেই। তবে মানবপাচারের শিকার এসব বাংলাদেশি ভিয়েতনাম হয়ে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড বা এশিয়ার অন্য কোনো উন্নত দেশে যেতে চেয়েছিলেন। ভিয়েতনামে তারা আটকা পড়ার পর দেশে ফিরিয়ে আনতে গত ২ জুলাই একটি বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়। এই ফ্লাইটে ১১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসেন। ২৭ বাংলাদেশিও ফেরার তালিকায় ছিলেন। তবে তারা ঘোষণা দেন, তাদের প্লেন ভাড়া বাংলাদেশ সরকারকে বহন করতে হবে। কোনো অবৈধ কর্মীকে দেশে ফেরত আনার জন্য প্লেন ভাড়া বহনে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সুযোগ নেই। বিদেশে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের প্লেন ভাড়া তাদেরই বহন করতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর্মীদের প্লেন ভাড়া নিজ নিজ কোম্পানি বহন করে। তবে ভিয়েতনামে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের কাজের ভিসা নেই। তারা সেখানে গিয়েছেন পর্যটক হিসেবে।

২ জুলাই বিশেষ ফ্লাইট ঢাকায় আসার পরদিন তারা ভিয়েতনামের বাংলাদেশ মিশনে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা করে, যেটা আন্তর্জাতিক ও ভিয়েতনামের স্থানীয় আইনের লঙ্ঘন। প্রথমত, তারা দেশে ফিরতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।