মডেলিং পেশাতে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিযোগিতা প্রবল। তার প্রধান কারণ যে গ্ল্যামার জগতে সুযোগ পাওয়ার স্বপ্ন দেখার পাবলিকের অভাব না থাকলেও, ভাল কাজের সুযোগ সে তুলনায় যথেষ্ট কম রয়েছে! তাই রূপ এবং প্রতিভা, এই দুটোয় উতরে গেলেও সাফল্যের জন্য ধৈর্য এবং অধ্যবসায়, এই দুয়ের চর্চা করতেই হবে।
এই পেশার যেমন কিছু সুবিধা রয়েছে তেমনই রয়েছে বেশ কিছু সমস্যাও। কতটা আপনি উন্নতি করতে পারবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে আপনার ভাগ্যের উপর। তার উপর অন্যান্য পেশার মতো এই পেশায় ঢোকার নির্দিষ্ট কোনও ক্রাইটেরিয়া না থাকায়, আপনি কতটা উন্নতি করতে পারবেন তার অনেকটাই নির্ভর করবে আপনার নেটওয়ার্কিং ক্ষমতার উপর। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তেমন চেনা-পরিচিতি না-থাকলে, এই পেশায় উন্নতি করা কঠিন। তাছাড়াও, এই পেশায় ভাল সুযোগ পাওয়ার আশায়, অগুনতি ছেলেমেয়ে প্রতারণার শিকার হয়। কাজে উন্নতি করার চেষ্টার সঙ্গে-সঙ্গে নিজেকে বাঁচিয়েও চলতে হবে। সবশেষে এই পেশায় শেল্ফ লাইফ কম। অন্যান্য পেশায় বহুবছর ধরে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এই পেশায় নিরাপত্তার অভাব রয়েছে অনেক!
কাজের সুযোগ : মূলত দুই প্রকারের কাজে ব্যবহার করা হয় মডেলদের।
বিজ্ঞাপন :মডেলদের জন্য আর-একটি জনপ্রিয় কাজের ক্ষেত্র হল বিজ্ঞাপন। বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট লঞ্চ করার জন্য, নানা ধরনের পত্রপত্রিকার জন্য মডেলদের ব্যবহার করা হয়। খুব উঁচুদরের মডেল বা সুপারমডেল হলে নামীদামি ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসাডর হয়ে উঠতে পারবেন আপনি। এর জন্য অবশ্য ভাল চেহারা ছাড়াও অল্পস্বল্প অভিনয় ক্ষমতা থাকা জরুরি। বিজ্ঞাপনে, বিশেষত টিভি বিজ্ঞাপনে আপনি যত দক্ষতার সঙ্গে নানা অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুলতে পারবেন, ততই বিজ্ঞাপনটি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। পরবর্তীকালে যদি অভিনয় জগতে পা রাখার ইচ্ছা যদি আপনার থাকে, তা হলে বিজ্ঞাপনে অভিনয় করাটা একটা মূল্যবান অভিজ্ঞতা হবে।
কী করণীয়
একটি আকর্ষণীয় পোর্টফোলিও তৈরি করা : মডেলিং জগতে ফ্রেশার হিসেবে পোর্টফোলিও হচ্ছে আপনার পরিচয়পত্র। আপনি কতটা ফোটোজেনিক, আপনার মধ্যে এক্স ফ্যাক্টর রয়েছে কি না, তা আপনার পোর্টফোলিওই বলে দেবে। এর জন্য অবশ্য দক্ষ এবং স্বনামধন্য কোনও ফটোগ্রাফারকে দিয়ে আপনার পোর্টফোলিওটা তৈরি করতে সেটা অনেকটা দৃষ্টিনন্দন হবে।
