জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নদীভাঙন কবলিত খরমা গ্রামের প্রান্তিক খামারি জালেহা বেগম। গরু-ছাগল আর হাঁস-মুরগি থেকে যে উপার্জন হয় তা দিয়েই সংসার চলে তার। করোনা সংক্রমণকালীন সময়ে তার একটি গাভী লাম্ফি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হলে তিনি বেশ সমস্যায় পড়ে যান। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার এনএটিপি-২-এর এলইও ডা. শাহরিয়ার মাহমুদ আরমানের সঙ্গে। ঐ চিকিত্সক মোবাইল ফোনে তাত্ক্ষণিক পরামর্শ দেন এবং পরদিন জালেহার বাড়িতে গিয়ে চিকিত্সা দিলে দুশ্চিন্তামুক্ত হন তিনি। এভাবে সহযোগিতা করছে ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম, ফেজ-২ প্রজেক্ট (এনএটিপি-২) প্রাণিসম্পদ অঙ্গ। করোনা সংক্রমণকালীন সময়েও বাংলাদেশের ২৭০টি উপজেলায় সেবা অব্যাহত রেখেছে এনএটিপি-২-এর কর্মীরা। মূলত দুটো লক্ষ্য নিয়ে এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল বলে জানান প্রকল্পটির পরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা। তিনি বলেন. উত্পাদন বৃদ্ধি ও বাজার তৈরি এই দুটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয়।
বিশ্বব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট এবং ইউএসএইডের অর্থায়নে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন হয়েছে ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় ধাপে এটি ২০২৩ সাল পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে। এনএটিপি-২ প্রকল্পটি প্রান্তিক খামারিদের উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখছে বলে জানান প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার।
