করোনা ভাইরাস পিছিয়ে দিচ্ছে একটার পর একটা ক্রিকেট আয়োজন। যদিও এই মহামারিকে সঙ্গী করেই ইংল্যান্ডে শুরু হয়েছে টেস্ট ক্রিকেট। কিন্তু এমন অবস্থায় ক্রিকেট শুরু করার সাহস পাচ্ছে না এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। এই বছর অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া কাপ নিয়ে তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি তারা। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত অনলাইন বৈঠক শেষে জানানো হয়েছে, পরে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এবারের এসিসি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন এসিসির বর্তমান প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নাজমুল হাসান পাপন। এই বৈঠকের একটা বিশেষত্ব ছিল, এবারই প্রথম এসিসি বৈঠকে অংশ নিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। এ ছাড়া বিসিসিআইয়ের সচিব জয় শাহও অংশ নিয়েছিলেন এই অনলাইন বৈঠকে।
এবারের এশিয়া কাপ আয়োজনের স্বত্ব মূল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি)। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই আয়োজনের। তবে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির আগে থেকেই এই এশিয়া কাপ নিয়ে জটিলতা ছিল। কারণ, পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলতে যেতে রাজি নয় ভারত। সে ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত বা শ্রীলঙ্কায় হতে পারে এই আসরের খেলা। সেই সঙ্গে করোনা সংকট টুর্নামেন্টের সময় নিয়েও তৈরি করেছে ধোঁয়াশা।
বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, তারা এই আসরটি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। তারা বলেছে, ‘বোর্ড ২০২০ সালের এশিয়া কাপ আয়োজনের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছে। সমকালীন কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির প্রভাব ও ধারাবাহিকতার আলোকে এই আসরের ভেন্যু ও তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, বোর্ড আরো পরে, সময়মতো এই আসর নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’
জানা গেছে যে, এসিসি মূলত আইসিসির দিকে তাকিয়ে আছে। এ বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্যে কী ঘটে, সেটা দেখে তারা সিদ্ধান্ত নিতে চায়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে গেলে এশিয়া কাপও পিছিয়ে যাবে। কারণ, এশিয়া কাপকে দেখাই হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে।
