খুলনার লকডাউন এলাকায় কমেছে করোনা রোগী

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২০, ২২:১৩

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকায় রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউন করা খুলনার তিনটি এলাকায় করোনা রোগীর সংখ্যা কমেছে। গত দুই সপ্তাহ আগে যেখানে প্রতি লাখে ১০ জন করে মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছিল, সেখানে তা কমে দাঁড়িয়েছে আট জনে। বর্তমানে এই তিনটি জায়গা রেড জোন থেকে ইয়েলো জোনে নেমে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছেন, লকডাউনের কারণে মানুষের চলাচল কমে যাওয়া, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বাজার নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং দোকানপাট বন্ধ রাখার কারণে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

খুলনা সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকায় গত ২৫ জুন মধ্য রাত থেকে ২১ দিনের জন্য মহানগরীর ১৭ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নকে রেড জোন ঘোষণার মাধ্যমে লকডাউন করে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত খুলনা জেলা কমিটি। এ সময় সড়কের প্রবেশ দ্বারে ব্যারিকেড ও আইচগাতী ইউনিয়নের ছয়টি ঘাটে ট্রলার চলাচল বন্ধ           রাখা হয়। এছাড়া এসব স্থানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

সূত্র জানায়, লকডাউন ঘোষণার আগে আইচগাতী ইউনিয়নে ৪৬ জন করোনা রোগী ছিল। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২১ জনে। এছাড়া লকডাউন ঘোষণার পর জনবহুল এই ইউনিয়নে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি। লকডাউন ঘোষণার আগে নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১৩৩ জন। গত দুই সপ্তাহে এ ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে মাত্র আট জন। অন্যদিকে লকডাউন ঘোষণার আগে নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত ছিলেন ৬৫ জন। গত দুই সপ্তাহে এ ওয়ার্ডে মাত্র একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, মহানগরীর এই তিনটি জায়গায় লকডাউনের কারণে গত দুই সপ্তাহে করোনা রোগীর সংখ্যা কমেছে। বর্তমানে এই তিনটি জায়গা ইয়েলো জোনে নেমে এসেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এখন এই তিনটি জায়গাকে গ্রিন জোনে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।