মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
জেলার সাটুরিয়া উপজেলার দেলুয়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ী খান্নু মিয়া। ২০১৮ সালের কোরবানির ঈদের সময় ‘রাজাবাবু’ নামের ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় নিয়ে সারা দেশে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। সেই সময় সাড়ে ১৮ লাখ টাকায় ঈদের আগের রাতে বিক্রি করেছিলেন ‘রাজাবাবু’কে। এবারের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে তাদের পালিত ষাঁড়ের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে ‘ভাগ্যরাজ।’
উচ্চতা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি, বুকের বেড় ১২০ ইঞ্চি। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে খান্নু মিয়া পুষে বড় করেছেন এ ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টিকে। মহামারি করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ষাঁড় বিক্রির টাকার একটি অংশ দেওয়ারও ইচ্ছা পোষণ করেন তিনি।
গত বছরও ঈদের সময় ভাগ্যরাজকে হাটে উঠিয়েছিলেন খান্নু। কিন্তু সঠিক মূল্য না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিক্রি করেননি। এবার আর হাটে নিতে চান না ভাগ্যরাজকে। বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে চান। সঠিক মূল্যে ভাগ্যরাজকে বিক্রি করতে পারলে সেই টাকার একটি অংশ আর্তমানবতার সেবায় তুলে দিতে চান প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে।
খান্নুর স্ত্রী পরিষ্কার বেগম বলেন, ভাগ্যরাজকে নিজের সন্তানের মতো বড় করে তুলেছি। ২৪ ঘণ্টা ভাগ্যরাজের পেছনে সময় দিতে হয়। একটি মাত্র আশা আমাদের, কোরবানির ঈদে ভাগ্যরাজের সঠিক মূল্য যেন পাই। ক্রেতা চাইলে ভাগ্যরাজকে বিক্রির পর ঈদ পর্যন্ত লালনপালন করে দিব। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মনির হোসেন বলেন, খান্নুর ভাগ্যরাজের ওজন আনুমানিক ৩০ মণ হবে। আশা করছি, পরিবারটি এ বছর ভালো দাম পাবে।
