চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের বিনাবিচারে বন্দি করে রাখা, তাদের ওপর নির্যাতন চালানো ও হয়রানি করার কারণে চীনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের চার ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে চীন পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। খবর বিবিসি ও আলজাজিরার
বৃহস্পতিবার মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ নতুন নিষেধাজ্ঞা দেয়। জিনজিয়াংয়ের কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি চেন কোয়াংগোসহ চীন সরকারের শীর্ষস্থানীয় চারজননের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন। চে কোয়াংগোকে জিনজিয়াংয়ে বন্দি শিবিরের পরিকল্পনাকারী বলে মনে করা হয়। তিনি কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোরও সদস্য। এছাড়া শিনজিয়াংয়ের সাবেক ডেপুটি পার্টি সেক্রেটারি ঝু হাইলুন, জিনজিয়াংয়ের কমিউনিস্ট পার্টির পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরোর পরিচালক ওয়াং মিংশান এবং ব্যুরোর সাবেক পার্টি সেক্রেটারি হুয়ো লিউজুন। গ্লোবাল ম্যাগনিটিস্কাই অ্যাক্টেও অধীনে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই চার চীনা কর্মকর্তার সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনো সম্পদ থাকলে তাও জব্দ করা যাবে। হুয়ো বাদে বাকি তিন চীনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এছাড়া ওয়াশিংটন জিনজিয়াংয়ের নিরাপত্তা ব্যুরোর উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, জিনজিয়াংয়ে যে ভয়ংকর ও নিয়মতান্ত্রিক নিপীড়ন চলছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই নিষেধাজ্ঞা।
চীনের প্রতিক্রিয়া
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চীনের অভ্যন্তরণী বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দেশটি যদি ভুল সংশোধন না করে এবং পিছিয়ে না যায় তাহলে বেইজিংও পাল্টা কড়া পদক্ষেপ নেবে।
