বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর
বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর
বৃষ্টি ঝরে সকাল-দুপুর
বৃষ্টি পায়ে নূপুর পরে
নাচছে নাচন ঝুমুরঝুমুর।
বৃষ্টি পড়ে টিনের চালে
কেয়া ও কদমের ডালে
বৃষ্টি পড়ে মাঠঘাট আর
পুকুর ডোবা বিলে খালে।
বৃষ্টি পড়ে বৃষ্টি পড়ে
বৃষ্টিতে মন রয় না ঘরে
বৃষ্টি নাচে ধিন্ ধিন্ তা
বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে।
বৃষ্টি ঝরে তাথৈ তাথৈ
বৃষ্টিভেজা কৈশোর কই?
বৃষ্টিদিনে উঠতো জমে
গল্পগুজব আর হৈচৈ।
এই ছুটি তো সেই ছুটি নয়!
স্কুলও নেই নেইকো পড়া
ভাবছো মজা কত্তো
এই ছুটি তো সেই ছুটি নয়!
ভাবছো তুমি যত্তো!
গুমড়ো মুখো, না না!
নয়তো এসব মানা!
ঘরের কোণে হও খুশিতে
রঙ তুলিতে মত্ত।
শিখতে পারো বীণা
নাচতে পারো ঝুমুরঝুমুর
তাক ধিনা ধিন ধিনা।
মনটা খারাপ কি না!
দেখতে পারো টিভি ছেড়ে
মজার কার্টুন মীনা।
পড়তে পারো এই সময়ে
মজার মজার বই
বাইরে তবু ঘুরবে নাকো!
একদমই টইটই।
আর কী পারো!
পড়তে পারো মিষ্টি ছড়া
ফুটিয়ে মুখে খই।
খুকুমণির পড়া
বইখাতা নিয়ে খুকি
আ-এ আতা পড়ছে
‘আমপাতা’ ছড়া মুখে
ফুলঝুরি ঝরছে।
ছবি দেখে মাঝে মাঝে
বলে, ‘বাবা এটা কী?’
বেটা বলে ডাকি যদি
বলে, ‘আমি বেটা কী!’
আজকাল খুকুমণি
নানা কথা শিখেছে
বলে, ‘বাবা আমপাতা
ছড়া কে বা লিখেছে?’
ফাঁকি দিতে পড়াশোনা
করে নানা ফন্দি
জাল বোনে কথা দিয়ে
যাতে আমি বন্দি।
শুটকি ভূত
তেঁতুলের গাছ ছিল
গাছে এক ভূত ছিল,
তার ছিল মোটাসোটা ভুঁড়িটা;
দাঁতগুলো বড়ো ছিল
ধারালোও বেশ ছিল,
রুটি খেত গোটা চার কুড়িটা।
হাতি, ঘোড়া সব খেত
মানুষকে ধরে খেত,
আরো খেত দশ কুড়ি পরোটা :
পুরি খেত, লুচি খেত
মহিষের দুধ খেত,
পুকুরের মাছ খেত বড়োটা।
আজ সেই গাছ নেই
মনে তার সুখ নেই,
ভেবে তাই হয়ে গেছে শুটকি;
টাকাকড়ি কিছু নেই
খাবারের ঠিক নেই,
এককালে, সেকি ছিল মুটকি!
