উইংওয়ালে ধস
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
অতিবৃষ্টির দরুন পানিপ্রবাহে উইংওয়াল ও তত্সংলগ্ন সড়ক ধসে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বৈরাণ নদীর বড়শিলা সেতু। ফলে তিন দিন ধরে সেতু দিয়ে যান পারাপার বন্ধ। দুর্ঘটনা এড়াতে সেতুর ওপর বাঁশ টানিয়ে রাখা হয়েছে। মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হালিমুজ্জামান তালুকদার জানান, ৯৬ সালে এলজিইডি বড়শিলা বাজার সংলগ্ন বৈরাণ নদীর ওপর এ সেতু নির্মাণ করে। বছর দুয়েক আগে সেতুর একটি স্পেনের অংশবিশেষ ভেঙে গেছে। সপ্তাহখানেক নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং টানা বর্ষণে ডান তীরের রাস্তা কিয়দংশ ভেঙে নদীতে নেমে যায়। সেই সঙ্গে সেতুর উইংওয়াল ধসে নদীতে নিমজ্জিত হয়। ব্রিজটি এখন অরক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ। সামনের বর্ষায় নদীর পানি আরো বাড়লে সে াতের টানে সেতুর মূল অংশ মুখ ধুবড়ে নদীতে পড়ার আশঙ্কা হচ্ছে। তিনি দ্রুত সেতুটির সংস্কার ও মেরামতের দাবি জানান। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক জানান, গোপালপুর-ভূঞাপুর সড়কের বড়শিলা বাজার থেকে যে রাস্তা জোতআতাউল্লাহ হয়ে দৌলতপুর গেছে তার উত্সমুখের ঐ সেতুতে পাঁচ গ্রামের মানুষ পারাপার হয়। বাইপাশ রোড হিসেবে গোপালপুর-ফলদা সড়কের দৌলতপুরে মিশেছে এ সড়ক। তাই মির্জাপুর ও আলমনগর ইউনিয়ন ছাড়াও ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগে সেতুটির গুরুত্ব অপরিসীম। গোপালপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, মূল সেতুর তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বন্যা পুনর্বাসন জরুরি প্রকল্পের আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত উইংওয়াল ও সড়কের দ্রুত মেরামত হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিকাশ বিশ্বাস জানান, জনগণের কষ্ট নিবারণের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত সেতু দ্রুত মেরামতের জন্য এলজিইডিকে বলা হয়েছে।
