ইত্তেফাক ডেস্ক
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:
কুমিল্লা: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ৮৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ১১ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন এবং বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ ২২টি দলের ৭৭ জন প্রার্থীর মধ্যে কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ছাড়া সকল আসনের মোট ৭৬ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। এদের মধ্যে কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী সুবিদ আলী ভূঁইয়া নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এখানে আটজন প্রার্থীর মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ছাড়া অপর ছয় প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন, কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেলিমা আহমাদ মেরীর কাছে পরাজিত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এ আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে আটজন জামানত হারিয়েছেন, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এমপির কাছে পরাজিত হয়েছেন বিএনপির কেএম মজিবুল হক। এ আসনে ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ১৫ জন, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে সাত প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন জামানত হারিয়েছেন, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে আট প্রার্থীর মধ্যে সাতজন জামানত হারিয়েছেন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর-সিটি করপোরেশন-সেনানিবাস এলাকা) আসনে চার প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন তিনজন, কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে আটজন প্রার্থীর মধ্যে সাতজন জামানত হারিয়েছেন, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে আটজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির আনোয়ার উল আজীমসহ ছয়জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন, কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিণ-লালমাই) আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীসহ ছয় প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন এবং কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া ও ধানের শীষের প্রার্থী জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ জামানত হারিয়েছেন চারজন।
কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জ জেলার ছয় আসন থেকে অংশগ্রহণকারী ৩৪ প্রার্থীর মধ্যে ২৬ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরমধ্যে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে যারা জামানত হারিয়েছেন তারা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মহিউদ্দিন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মো. এনামুল হক ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) মুহ. আব্দুর রহমান। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে যারা জামানত হারিয়েছেন তারা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সালাউদ্দিন রুবেল, জাকের পার্টির মো. আব্দুল জব্বার, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নূরুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির তারেক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মীর আবু তৈয়ব মো. রেজাউল করিম। কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) আসনে জাসদের (ঐক্যফ্রন্ট) সাইফুল ইসলাম ছাড়াও জামানত হারিয়েছেন সিপিবির ডা. এনামুল হক ইদ্রিস, গণতন্ত্রী পার্টির দিলোয়ার হোসাইন ভুঁইয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলমগীর হোসাইন ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের মো. শওকত আলী। কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-অষ্টগ্রাম-মিঠামইন) আসনে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের খায়রুল ইসলাম ঠাকুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আহসানউল্লা ও বিএনপির অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনে বিএনপির শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ছাড়াও যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির খন্দকার মুসলেহউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইব্রাহিম, সিপিবির মো. ফরিদ আহমদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. শাহ আলম ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডির) সেলিনা সুলতানা (তারা) এবং কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে বিএনপির মো. শরীফুল আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ মুছা খান, জাতীয় পার্টির নূরুল কাদের সোহেল ও ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. রুবেল হোসেন।
সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনে জামানত হারিয়েছেন ২২ প্রার্থী। সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর-জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা) আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাফিজ মাওলানা মুফতি ফখর উদ্দিন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী বদরুদ্দোজা সুজা ও জাকের পার্টির আমান উল্লাহ আমান। সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামানত হারিয়েছেন মাহমুদ হাসান চৌধুরী (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল হাই, গণতন্ত্রী পার্টির গোলজার আহমেদ ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস। সুনামগঞ্জ-৩ (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনে জামানত হারিয়েছেন এলডিপির মাহফুজুর রহমান খালেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহিববুল হক আজাদ, জাকের পার্টির শাহজাহান চৌধুরী ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সৈয়দ শাহ মুবাশ্বির আলী। সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তানভীর আহমেদ তাসলিম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোহাম্মদ দিলোয়ার, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আজিজুল হক ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী আল হেলাল মো. ইকবাল মাহমুদ এবং সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে জামানত হারিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো.আশরাফ হোসেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা হিমেল, খেলাফত মজলিসের শফিক উদ্দিন, গণফোরামের আইয়ুব করম আলী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হোসাইন আল হারুন।
কক্সবাজার:কক্সবাজার জেলার চারটি আসনে ২৯ প্রার্থীর মধ্যে ২২ জনই জামানত হারিয়েছেন। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে জামানত হারাচ্ছেন ছয়জন প্রার্থী। তারা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ আলী আছগর, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী তানিয়া আফরিন, বদিউল আলম, মুসলিম লীগের মুহাম্মদ ফয়সল ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ ইলিয়াছ। কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে যারা জামানত হারিয়েছেন তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আজাদ, বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক এমপি আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ ইসমাইল, গণফ্রন্টের ড. আনসারুল করিম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আবু ইউসুফ মুহাম্মদ মনজুর আহমদ, মুসলিম লীগের মো. শহীদুল্লাহ, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, বিকল্প ধারার শাহেদ সরওয়ার ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহিবুল্লাহ। কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমিন, জাতীয় পার্টির মফিজুর রহমান ও বিএনএফের মো. হাছন এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ শোয়াইব, ইসলামী ঐক্যজোটের রবিউল হোছাইন, জাতীয় পার্টির আবুল মঞ্জুর ও মুসলিম লীগের সাইফুদ্দিন খালেদ।
মাদারীপুর:মাদারীপুর জেলার তিনটি আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এদের মধ্যে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জাফর আহমাদ, বিএনপি প্রার্থী সাজ্জাত হোসেন লাভলু সিদ্দিকী, জাকের পার্টির প্রার্থী মো. শাহনেওয়াজ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মিন্টু জামানত হারিয়েছেন। মাদারীপুর-২ (রাজৈর-মাদারীপুর) আসনে বিএনপি’র মিল্টন বৈদ্য, মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও রাজৈর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল-আমিন মোল্লা স্বতন্ত্র প্রার্থী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. লোকমান হোসেন ও জাকের পার্টির প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান আকনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে এবং মাদারীপুর-৩ (কালকিনি-মাদারীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আনিছুর রহমান খোকন তালুকদার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ বেলায়েত হোসেনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
ঝিনাইদহ:ঝিনাইদহ জেলায় চারটি আসনে ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরমধ্যে ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান এবং ইসলামী আন্দোলনের মো. রায়হান উদ্দীন জামানত হারিয়েছেন। ঝিনাইদহ-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. ফকরুল ইসলাম, বাসদের মো. আসাদুল ইসলাম ও জাকের পার্টি প্রার্থী মো. আবু তালেব সেলিম জামানত হারিয়েছেন। ঝিনাইদহ-৩ আসনে বিএনএফ’র ইসমাইল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাও. সরোয়ার হোসেন ও জাতীয় পার্টির মো. কামরুজ্জামান স্বাধীন জামানত হারিয়েছেন এবং ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এইচএম মমতাজুর রহমান ও জাকের পার্টির মো. ইছাহাক আলি বিশ্বাস জামানত হারিয়েছেন।
সৈয়দপুর (নীলফামারী): নীলফামারীর চারটি আসনের ২০ প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরমধ্যে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের ছয়জন প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন জাতীয় পার্টির জাফর ইকবাল সিদ্দিকী (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল গানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মঞ্জুরুল ইসলাম, বাসদের ইউনুছ আলী ও বিএনএফের সিরাজুল ইসলাম, নীলফামারী-২ (সদর) আসনে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরা হলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির রাবেয়া বেগম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহুরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এজানুর রহমান, নীলফামারী-৩ (সদর) আসনে প্রার্থী ছিলেন তিনজন। এদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমজাদ হোসেন সরকারের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে প্রার্থী ছিলেন চারজন। এদের মধ্যে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আব্দুল হাই সরকার।
চাটমোহর (পাবনা):পাবনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ১৯ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরমধ্যে পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার আংশিক) আসনে সাতজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নাজিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল মতিন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মো. জুলহাস নাঈন, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মো. শরিফুর, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং জাতীয় পার্টির সরদার শাহজাহান। পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়ার আংশিক) আসনে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন বিএনপি প্রার্থী একেএম সেলিম রেজা হাবিব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইউনুস আলী ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মো. শামসুর রহমান। পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসানুল ইসলাম রাজা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল মোত্তালিব ও গণতন্ত্রী পার্টির খায়রুল আলম। পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে দুজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল জলিল ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আব্দুর রশিদ শেখ এবং পাবনা-৫ (সদর) আসনে চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ ইকবাল হুসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অধ্যাপক মোহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আবু দাউদ, জাতীয় পার্টির আব্দুল কাদের খান কদর।
পীরগাছা (রংপুর): রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরমধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফা সেলিম বেঙ্গল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বদিউজ্জামান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের সাদেক আলী ও জাকের পার্টির আঞ্জুমান আরা বেগম জামানত হারিয়েছেন।
