নগরকান্দা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা
সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০জন আহত হয়। এরমধ্যে মাহফুজ শেখের ছেলে আলামীন শেখ আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এ ঘটনায় সালথা থানা-পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা করেছে।
উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সালথা উপজেলার ফুকরা বাজারে হায়দার সিকদারের সমর্থক লাল মিয়ার সাথে কাউছার মাতুব্বরের সমর্থক রুহুল মোল্যার কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা নিয়ে রাতেই উভয় দলের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শর্টগানের ২৭ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৬টি টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরই সূত্র ধরে বুধবার সকাল ৭টার দিকে উভয় দলের সমর্থকেরা ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। টানা ২ ঘণ্টা চলা এ সংঘর্ষে উভয় দলের অন্তত ২০টি বসতবাড়ি ভাঙচুর করে সংঘর্ষকারীরা। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শর্টগানের ৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১৮টি টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনেন। মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার সকালের সংঘর্ষে উভয় দলের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। এরমধ্যে আলামীন শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি আহতদের নগরকান্দা উপজেলা হাসপাতালে ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, ফুকরা গ্রামের সংঘর্ষের ঘটনায় মারাত্মক আহত আলামীন শেখের চাচা মিরান শেখ বাদী হয়ে হায়দার সিকদারকে প্রধান আসামি করে ৩১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দিয়েছেন। এছাড়াও থানায় পুলিশ বাদি আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
