যে কোনো সময়ের চেয়ে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করছে। বিশ্বের উচ্চপ্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম দিকে। বাংলাদেশের এই অগ্রতির পেছনে বড় অবদান রয়েছে জনসংখ্যাভিত্তিক সুবিধা। দেশে এখন কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ যাদের বয়স ১৫ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে। গত একদশকে দারিদ্র্যের হার ২০ দশমিক ৫০ শতাংশে ও উচ্চ দারিদ্র্যের হার ১০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে কর্মক্ষম মানুষের এই শ্রেণি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
গতকাল শনিবার ঢাকায় ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২০’ উদ্যাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ এবং ইউনাইটেড নেশনস পপুলেশন ফান্ডের (ইউএনএফপিএ) যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার সময়ে মানুষ ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, যার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারী ও শিশু সহিংসতার স্বীকার হচ্ছে। তবে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় হেল্পলাইন ১০৯, মনোসামাজিক ও আইনি সেবা প্রদানের মাধ্যমে তাদের পাশে রয়েছে। একই সঙ্গে করোনাকালেও নারী ও শিশুর নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালসহ দেশব্যাপী ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ৩ হাজারের বেশি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র কাজ করে যাচ্ছে।
