রাজশাহীর দুই ল্যাবে একদিনে ১০৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীর বাসিন্দা ৮১ জন। শনিবার (১১ জুলাই) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ও হাসপাতালে বহির্বিভাগের ল্যাবে তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগের ল্যাবে রাজশাহীর ৪৩ এবং মেডিকেল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের ল্যাবে ৬৬ জন শনাক্ত হয়।
এদিকে সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, জেলা ও মহানগরীতে সংক্রমণ বাড়লেও বর্তমানে কেউ হোম কোয়ারেন্টাইনে নেই। গত ১লা মার্চ থেকে চালু হওয়া হোম কোয়ারেন্টাইন পদ্ধতি সম্প্রতি বন্ধ হয়ে গেছে। গত ১লা মার্চ শুরু হোম কোয়ারেন্টাইনে ২ হাজার ৫৫ ব্যক্তি থাকলেও বর্তমানে কেউই নেই।
সূত্র মতে, শনিবার (১১ জুলাই) পর্যন্ত রাজশাহীর ১ হাজার ৬০১ করোনা পজেটিভ হয়েছেন। এ সংখ্যা শহরে ১ হাজার ২৩৪, বাঘা উপজেলায় ৩৩, চারঘাটে ৩৩, পুঠিয়ায় ২১, দুর্গাপুরে ২২, বাগমারায় ৩৯, মোহনপুরে ৫৮, তানোরে ৫২, পবায় ৯৩ এবং গোদাগাড়ীতে ১৬ জন। উল্লেখিতরা হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। এ সংখ্যা শহরে ১ হাজার ২৭, বাঘায় ২১, চারঘাটে ১৩, পুঠিয়ায় ৮, দুর্গাপুরে ১৬, বাগমারায় ২৩, মোহনপুরে ২৫, তানোরে ২৮, পবায় ৭৫ ও গোদাগাড়ীতে ১৫ জন। এছাড়া বাঘায় ১, চারগাটে ৫, পুঠিয়ার ১ ও তানোরে ৭ প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে রয়েছেন।
সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২ হাজার ৫৫ জনের সকলেই ছাড়পত্র নিয়েছেন। এ সংখ্যা শহরে ৮৬৯, বাঘায় ৩১২, চারঘাটে ১১৮, পুঠিয়ায় ১৭৯, দুর্গাপুরে ৯২, বাগমারায় ৯৬, মোহনপুরে ৯৭, তানোরে ১৮৮, পবায় ৪১ ও গোদাগাড়ীতে ৬২ জন। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন শহরে ১৯৯, বাঘায় ১০, চারঘাটে ১৩, পুঠিয়ায় ১২, দুর্গাপুরে ৬, বাগমারায় ১৬, মোহনপুরে ৩২, তানোরে ১৭, পবায় ১৫ ও গোদাগাড়ীতে ১ জন। মারা গেছেন শহরে ৮, বাঘায় ১, চারঘাটে ২, মোহনপুরে ১, পবায় ৩ জন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন শহরে ১ হাজার ২৭, বাঘার ২২, চারঘাটে ১৮, পুঠিয়ায় ৯, দুর্গাপুরে ১৬, বাগমারায় ২৩, মোহনপুরে ২৫, তানোরে ৩৫, পবায় ৭৫ গোদাগাড়ীতে ১৫ জন।
ইত্তেফাক/এমআর
