নভেম্বরে মানবদেহে করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালাতে চায় থাইল্যান্ড

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২০, ১৫:০১

আগামী নভেম্বরে মানবদেহে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সম্ভ্যাব্য ভ্যাকসিনের পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা করছে থাইল্যান্ডের গবেষকরা। আর এ জন্য ইতোমধ্যেই এই ভ্যাকসিনের ১০ হাজার ডোজ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরেই এই ভ্যাকসিন ব্যবহার করা যাবে। রবিবার থাইল্যান্ডের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলনে এমনটি জানিয়েছেন। 

জানা গেছে, থাইল্যান্ডের ন্যাশনাল ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট, দ্য ডিপার্টমেন্ট অব মেডিক্যাল সায়েন্স এবং চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যৌথ প্রচেষ্টায় এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন।

এই ভ্যাকসিনের বিষয়ে ব্যাংককের চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন উন্নয়ন কর্মসূচির পরিচালক কিয়াত রাক্সরাংথাম  সংবাদ সম্মেলনে বলেন , প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ হওয়ায় পরবর্তী ধাপে মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য আরও কিছু ডোজ তৈরি করা হচ্ছে।আমরা প্রথমে এটি জুনে শুরু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সব কিছুর পরিকল্পনা আসলে এতটা সহজ ছিল না।

এর আগে প্রথম ধাপে ইঁদুরের দেহে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল আসার পর বানরের শরীরে এর প্রয়োগ শুরু করে থাইল্যান্ড। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ভ্যাকসিন শুধুমাত্র থাইল্যান্ডের মানুষের জন্য নয় বরং তা বিশ্বের সব মানুষকে রক্ষার জন্যই তৈরি করা হচ্ছে।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের এখনো কোনো ভ্যাকসিন অনুমোদন পায়নি। ভ্যাকসিনের দৌঁড়ে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিন। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল চলছে। এরই মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য একাধিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তিও হয়ে গেছে।

 থাইল্যান্ডে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ২১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। দেশটিতে এ  পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ৫৮ জন।

ইত্তেফাক/এআর