রাহুল গান্ধী যখন বৃহস্পতিবার রাফাল নিয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করছিলেন, সংসদ ভবনে থাকলেও লোকসভায় যাননি তিনি। ছিলেন না লালকৃষ্ণ আদভানি, রাজনাথ সিংহ, সুষমা স্বরাজ, নিতিন গড়কড়ীর মতো প্রথম সারির নেতারাও। রাজ্যসভার নেতা হয়েও মোদীকে বাঁচানোর ভার নিতে হয়েছিল একা অরুণ জেটলিকে। সেদিন রাতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে চারটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন রাহুল। কিন্তু গতকালও সংসদে আসেননি মোদী। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা
বৃহস্পতিবার রাফাল আলোচনা শেষ না করেই লোকসভা গোটা দিনের মতো মুলতুবি করে দেন স্পিকার। সুপ্রিম কোর্টের দোহাই দিয়ে বিতর্ক এড়ানোর চেষ্টা করেন সুষমা। তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে ওয়াক আউট করে কংগ্রেস। কিন্তু ছাড়েননি রাহুল। শুক্রবার সকাল থেকেই মোদীর সমালোচনায় মুখর। তার তোপের মুখে পড়েন মোদীর একমাত্র ‘পরিত্রাতা’ জেটলিও।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে চারটি প্রশ্ন ছিল রাহুলের। এক, ১২৬টির বদলে ৩৬টি বিমান কেন? দুই, বিমানের দাম ৫৬০ কোটি টাকার বদলে ১৬০০ কোটি টাকা কেন? তিন, মনোহর পারিকর কেন নিজের বেডরুমে রাফাল ফাইল রেখেছেন? চার, হ্যালের বদলে অনিল অম্বানীকে রাফাল বরাত দেওয়া হলো কেন?
শুক্রবার রাহুল ফের টুইট করেন, ‘মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ও রাফাল পরীক্ষা থেকে পালিয়েছেন।’ রাহুলের তোলা চারটি প্রশ্নের জবাব দেননি মোদী। তবে রাফাল নিয়ে কংগ্রেসকে ফের মিথ্যাবাদী বলেছেন। গুরদাসপুরের জনসভায় তার মন্তব্য, ‘প্রতিরক্ষা বাহিনীকে দুর্বল করতেই লাগাতার মিথ্যা বলে যাচ্ছে কংগ্রেস।’
