আমাদের দায়বদ্ধতা আরো বেড়ে গেল ------- পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:১৯

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নের প্রতীক নৌকাকে বিজয়ী করে তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এখন দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে পূর্বের তুলনায় আমাদের দায়বদ্ধতা আরও অনেক বেড়ে গেছে। চতুর্থবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণ করেন তিনি। শুক্রবার তার নিজ নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা-১০ (সদর দক্ষিণ, লালমাই, নাঙ্গলকোট) আসনের নাঙ্গলকোট উপজেলার জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতো রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে দেশ ও জাতি আজ শোকে মুহ্যমান। তিনি ছিলেন আপাদমস্তক একজন সত্ ব্যক্তিত্ব, দক্ষ সংগঠক ও গণমানুষের নেতা। ১/১১-এর দুঃসময়ে তার বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি। মানুষের হূদয়ে এই জননেতা চিরদিন তার কীর্তির মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন। এসময় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, জনগণ আমাদেরকে যেভাবে বিজয়ী করেছে তাতে বোঝা যায় তাদের প্রত্যাশা আমাদের কাছে অনেক বেশি। তাই আমাদের লক্ষ্য দেশের সকল মানুষকে নিয়ে একসাথে নতুন করে পথচলা শুরু করা, মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা। যেখানে থাকবে না কোনো হানাহানি, মারামারি বা ভেদাভেদ। যেহেতু দেশবাসী আমাদেরকে সেবা করার সুযোগ প্রদান করেছে, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে- তাই আমাদের এখন কাজ হচ্ছে তাদের চাহিদা ও প্রত্যাশা পূরণ করা। এজন্য আমরা দেশের সকল মানুষের সহযোগিতা চাই। শুধু নির্বাচনে বিজয় অর্জন করাই মুখ্য বিষয় নয়, বরং দেশের সকল মানুষ একসাথে মিলেমিশে দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য কাজ করতে হবে। তবে আমাদের একটি বিষয়ে সকলকে কড়া নজরদারীতে থাকতে হবে, যেন কোনো অপশক্তি কোনোভাবেই আবার মাথা চাড়া দিয়ে না উঠতে পারে।

মন্ত্রী ওই আসনের সকল শ্রেণিপেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমার এলাকার প্রতিটি বাড়ির প্রতিটি ঘরের মানুষই আমার সাথে ছিলেন, তারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। এমনকি আমার এলাকার অধিকাংশ প্রবাসী ভোট দেওয়ার জন্য দেশে চলে এসেছেন, তাদের প্রতি আমার বিশেষ ধন্যবাদ।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন কালু, পৌরসভা মেয়র আব্দুল মালেক, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ, নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।