বন্যায় দুর্গত মানুষের পাশে প্রতিমন্ত্রী পলক

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২০, ১৭:৫১

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, ‘বৈশ্বিক মহামারির সম্মুখীন আমরা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস ছাড়াও ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যার ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বারবার এসেছে পিছপা হয়নি। মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।’ 

তিনি বলেন, ‘এবারও চলনবিলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমি আপনাদের সামনে এসেছি। দুঃখের দিনে দুরে থাকতে পারি না। তাই করোনার এ সময়ে ঘরে থাকতে পারছিনা। এজন্য ছুটে এসেছি। জনগণের কল্যাণে কাজ করছি। আমৃত্যু কাজ করে যাবো, ইনশাআল্লাহ। ৬৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে কৃষক ও কৃষি উন্নয়নে সরকার চলন বিল উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়ন হলে চলনবিলে আমূল পরিবর্তন ঘটবে।’

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০ টায় নাটোরের সিংড়া উপজেলার বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন এবং বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে এসব বলেন। এসময়  তিনি শেরকোল ইউনিয়ন ও চামারীর ১ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। 

তিনি দায়িত্ব কর্তব্য অবহেলা না করার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সরকার ব্যাপক উন্নয়ন করছেন। শেরকোলের এ ইউনিয়নে সরকারি কলেজ রয়েছে, ২৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে হাইটেক পার্ক করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বন্যা দুর্গতদের জন্য ভাগনাগকান্দী ও চকপুর আশ্রয়ন খুলে দেওয়া হয়েছে। ৫ টি ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকার কিছু মহল্লা প্লাবিত হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। বন্যায় গৃহহীন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সাপে কামড় দিচ্ছে, এমন পরিস্থিতির কারণে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে আইসোলেশনে থাকা বৃদ্ধের মৃত্যু

তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শত বাধা বিপত্তি নিয়ে জনগণের পাশে ছিলেন। তিনি এ দিনে কারাভোগ করেছিলেন। কখনো জনগণের কাছ থেকে কোনো ষড়যন্ত্র তাকে দুরে রাখতে পারেনি। পরে প্রতিমন্ত্রী বন্যা দুর্গত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং গুরনই নদীর শাহাবাজপুর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন বানু, শেরকোল ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফুল হাবিব রুবেল, উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আবু রায়হান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঠিকাদার আব্দুল জব্বারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ।

ইত্তেফাক/এএএম