‘ভেজাল ও নকল ওষুধ ভুয়া করোনা রিপোর্টের চেয়েও ভয়াবহ’ 

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২০, ১৯:১৯

মানহীন, ভেজাল ও নকল ওষুধের ফল ভুয়া করোনা রিপোর্টের চেয়েও ভয়াবহ। ভেজাল ও নকল ওষুধ খেয়ে যদি কারো মৃত্যু হয় তাহলে সেগুলোর উৎপাদক ও অসাধু ব্যবসায়ীদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিও যৌক্তিক। তাদেরকে অনুকম্পার সুযোগ নেই। ভেজাল ও নকল ওষুধ উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি এবং জড়িত অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ শাস্তি ও দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যখাতের নিশ্চিতের দাবিতে ‘নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার আন্দোলন’ 

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে। আয়োজক সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কামরুজ্জামান বাবলুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি সাংবাদিক মীর মোহাম্মদ জসিম, আয়োজক সংগঠনের মো. শহীদুল ইসলাম, মানিক মিয়াজী, সারোয়ার নিজামী, সরদার মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, আব্দুল আজিজ, ঈমাম হাসান, কুমিল্লা জেলা শাখার আহ্বায়ক এইচএম মহিউদ্দিনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন: ‌‘ভারীবর্ষণ থাকবে আরো ৩দিন’

বক্তারা বলেন, দেশে প্রতি বছর ভেজাল বা নিম্নমানের ওষুধের বার্ষিক বিক্রি দেড় হাজার কোটি টাকার ওপরে, যা মোট বিক্রির ২০ শতাংশ। আমরা কোথায় যাব, কী খাব? শাক-সবজিতে ভেজাল, ফলমূলে ভেজাল, তেলে ভেজাল। এসব ভেজাল খেয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তারা যেসব ওষুধ দেবেন -সেগুলোতেও ভেজাল। এ থেকে মুক্তি পেতে ভেজালবিরোধী নতুন আইন করা জরুরি। খাদ্যে ভেজাল ও নকল ঔষধ প্রস্তুতকারী ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান দেশ ও জাতির শত্রু। তারা ব্যক্তিগত মুনাফার লোভে এই দেশের জনসাধারণকে পয়জনিংয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে হত্যায় লিপ্ত আছে। সরকারের উচিত হবে, রাষ্ট্রযন্ত্রগুলোর দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি এই ধরনের অপরাধের যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেটা আরও জোরদার করা এবং ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। 


ইত্তেফাক/এএএম