ওগুলো পিরানহা!

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২০, ২১:৩৬

মাছের আড়ত ও বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ। পিরানহা মাছকে ‘সামুদ্রিক চান্দা’ বলে ক্রেতাদের ঠকাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অন্য মাছের তুলনায় দাম কিছুটা কম হওয়ায় নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এই মাছের চাহিদা রয়েছে। যাঁরা কিনছেন তাঁরা জানেন না মানবদেহের জন্য কতটা ক্ষতিকারক এটা? এভাবে ভোক্তারা আক্রান্ত হচ্ছেন দুরারোগ্য বিভিন্ন ব্যাধিতে। বাংলাদেশের জলজ পরিবেশের সঙ্গে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এগুলো রাক্ষুসে স্বভাবের— অন্য মাছ ও জলজ প্রাণীদের খেয়ে ফেলে। দেশীয় প্রজাতির মাছ তথা জীববৈচিত্র্যের জন্য এগুলো হুমকিস্বরূপ। এ কারণে ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি ও ২০১৪ সালের জুন থেকে সরকার ও মত্স্য অধিদপ্তর আফ্রিকান মাগুর ও পিরানহা মাছের পোনা উত্পাদন, চাষ, বংশ বৃদ্ধিকরণ, বাজারে কেনাবেচা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করে। নিষিদ্ধ পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ সম্পর্কে গণমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা বাড়ানো দরকার বলে মনে করি। একইসঙ্গে নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. সাইমুন, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম