খুলনার খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী গ্রামে সন্ত্রাসী জাকারিয়া বাহিনীর গুলিতে তিন গ্রামবাসী ও ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পিটুনিতে সন্ত্রাসী বাহিনীর এক সদস্যসহ চার জন নিহতের ঘটনায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) এস এম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া খানজাহান আলী থানার ওসি এস এম শফিকুল ইসলামকে গতকাল নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে সোয়াতে বদলি করা হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার জানান, তদন্ত কমিটির সদস্যরা গতকাল থেকেই মাঠে নেমেছেন। কেএমপির অপর একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে-পরে ওসি এসএম শফিকুল ইসলামের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না সেগুলোও দেখা হচ্ছে। এছাড়া গ্রামবাসীর অভিযোগও গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে গুলি করে তিন জনকে হত্যা করার হোতা বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা শেখ জাকারিয়া হাসান ও তার ভাই মিল্টনসহ বাকি ১৮ আসামি এখনো পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। গত পাঁচ দিনেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি। জাকারিয়া ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও সুদের ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে।
অপরদিকে পুলিশের অপর একটি সূত্র জানায়, মশিয়ালী গ্রামের ট্রিপল হত্যা মামলার আসামি খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি শেখ জাফরিন হাসান, আরমান, জাহাঙ্গীর ও রহিম রিমান্ডে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তিনি বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
