নয়াপুরে প্রিয় ভূমিতেই অন্তিম শয়ানে সচিব নরেন দাস

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২০, ২১:০০

মৃত্যুর পর তার মরদেহ দাহ না করে নারায়ণগঞ্জ এর সোনারগাঁ উপজেলার নয়াপুরে নিজস্ব ভূমিতে অন্তিম শয়ানে শায়িত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে যান লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব নরেন দাস। তার সেই ইচ্ছা অনুযায়ী আজ বুধবার সকাল সোয়া ১১ টার দিকে  শেষকৃত্য অনুষ্ঠান  শেষে তাঁকে তাঁর  প্রিয় ভূমিতেই অন্তিম শয়ানে শায়িত করা হয়।

এরপর আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি'র পক্ষ থেকে  সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ  শেষে  লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ এবং  বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।  নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন ও সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুল ইসলাম বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন  ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার,  লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্ব পালনকারী অতিরিক্ত সচিব মো. মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের মহাসচিব বিকাশ কুমার সাহা, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, কাজী আরিফুজ্জামান ও ড. মো. জাকেরুল আবেদীন এবং আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিব আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসানসহ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উভয় বিভাগের উর্ধ্বতন  কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

স্থানীয় প্রশাসন  এবং সচিব নরেন দাসের স্ত্রী, কন্যা ও আত্মীয়-স্বজনরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে আজ সকাল ৮ টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সচিব নরেন দাস এর মরদেহ গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী মিতালি রানী দাস।

নরেন দাস মঙ্গলবার সন্ধ্যা  সাতটা ১৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

জ্বর ও শ্বাস কষ্ট দেখা দেওয়ায়  সচিব নরেন দাস স্ত্রীসহ ৫ জুলাই রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন।  এরপর  ৭ জুলাই সেখানে  তাঁদের করোনা পরীক্ষা করা হলে ফলাফল পজিটিভ আসে। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী  করোনাকে পরাজিত করে সুস্থ হলেও তিনি করোনার কাছে হেরে যান।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ইত্তেফাক/কেকে.