ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ পরিবহনের ব্যবসা নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারিসহ আহত হয়েছেন ৪ জন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সংঘর্ষের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া।
তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল- ২ এর পাশে লাশ পরিবহনে এ্যাম্বুলেন্স রাখা নিয়ে ঢামেক ইউনিট আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৪র্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি খালেক গ্রুপ ও রমিজ গ্রুপের মধ্যে শুক্রবার বিকালে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে খালেকের অনুসারী মো: সাজ্জাদ (২৬), আয়েশা (৩৪), মোস্তফা (২৮) এবং আল-আমিন (২০) আহত হয়েছেন। আহত চারজনই ঢাকা মেডিকেল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। খালেক গ্রুপে নেতৃত্ব দেয় তার ভাগ্নে আলম। আর রমিজ গ্রুপে নেতৃত্ব দেয় রমিজ নিজে।
তিনি আরও বলেন, এঘটনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য শাহবাগ থানা পুলিশ খালেক, রমিজ ও আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাহবাগ থানায় নিয়ে গেছেন। মেডিকেল এলাকায় কয়েকজন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মেডিকেলে কর্মরত একজন চিকিৎসক জানান, ঢামেকের কর্মচারীদের দাপট এতটাই যে, চিকিৎসকরাই তাদের কাছে অসহায়। অনেক কর্মচারীরাই ডায়াগনস্টিক-ক্লিনিকের মালিক। অনেকে কর্মচারী ও চিকিৎসকদের ফারাক বুঝতে না পারায় তাদের অপকর্মের কারণে মানুষের মাঝে চিকিৎসকদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। ওই কর্মচারীরা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকার কারণে তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে চিকিৎসকরাও কথা বলার সাহস দেখান না।
ইত্তেফাক/এমএএম
