সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনার পূর্বে কাউন্সিলর মতি কর্তৃক প্রতিপক্ষের ইসমাইলকে ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও ধরে আনার হুমকির অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকালে উক্ত অডিও সংবাদকর্মীদের হাতে এসে পৌঁছে। প্রায় আড়াই মিনিটের অডিওর বেশির ভাগ অংশেই কাউন্সিলর মতি ইসমাইলকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও তাকে দেখে নেওয়ার হুমকির বিষয়টি রয়েছে।
জানা যায়, গতকাল শনিবার বিকালে সংঘর্ষের কয়েকদিন আগের মতি ও ইসমাইলের একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছে। অডিও ক্লিপ থেকে জানা যায়, কাউন্সিলর মতির অফিসে ইসমাইলকে এক্ষণই আসতে বলা হয়। ইসমাইল পরে আসতে চাইলে মতি বলে, “এক্ষণ আইবি নাকি লোক দিয়া ধরাইয়া আনুম”। মতি ইসমাইলকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে তাকে জিজ্ঞেস করে “তোর বাপ কয়টা।” তখন ইসমাইল মতিকে বলে, “ভাই আপনি কথা ভাল মতো বলেন।” তখন মতি আরো ক্ষুব্ধ হয়ে ইসমাইলকে বলে, “তুই পার পেয়ে গেছিস বলে মনে করছস। আমি তোরে দেইখ্যা নিমু। তোর জায়গা...তোর... দিব। তুই এখন আমার অফিসে হাজির হবি। তোর বাপে তোরে অর্ডার দিসে, আমি তোর বাপ, তোরে পিটামু তুই এখন অফিসে আয়। তোরে আমি কি করি তুই দেখবি।” এই বলে মতি ফোন রেখে দেন।
ইসমাইল হোসেন এ অডিও ক্লিপটির সত্যতা স্বীকার করে ইত্তেফাককে বলেন, ‘এক সময় আমি ছাত্রলীগ করতাম, এখন আওয়ামী লীগের কর্মী। ১৯৯৪ সালে আমার বড় ভাই ইব্রাহিমকে বিএনপির ক্যাডাররা মাথায় গুলি করে। তিনি আরও জানান, আমাদের পৈত্রিক জমি কাউন্সিলর মতি ওয়ারিশের নাম দিয়ে দখলের চেষ্টা করছেন। বৃহস্পতিবার সে দলবল নিয়ে আমাদের জমি দখল করতে আসলে আমরা তাদেরকে বাধা দেই। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।’
