চাকরির আশ্বাসে অফিসে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২০, ২১:৫৭

ইত্তেফাক রিপোর্ট

রাজধানীর বাড্ডা প্রগতি সরণির একটি অফিসকক্ষে এক তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে পুলিশ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে। তবে পলাতক রয়েছে প্রধান অভিযুক্ত। গতকাল শনিবার দুপুরে তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

বাড্ডা থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মাসুদুর রহমান জানান, মেয়েটির বাড়ি পটুয়াখালীতে। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর তিনি চাকরি খুঁজছিলেন। চাকরির উদ্দেশে গত ৯ দিন আগে বাড্ডা হোসেন মার্কেটের পেছনে ময়নারবাগ এলাকায় তার এক পরিচিতের বাসায় আসেন। সেখানে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই যুবক তাকে প্রগতি সরণির শেল্টার সিকিউরিটি সার্ভিসেস বিডি লিমিটেডে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এরপর গত ১৭ জুলাই তাকে প্রগতি সরণির গ ৯৭/১ নম্বর এই ভবনের চার তলার ঐ কোম্পানির অফিসে নিয়ে যান।

এসআই আরো জানায়, ঐ ব্যক্তি অফিসের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণ করেন এবং দ্বিতীয় আসামি অপারেশন ম্যানেজার শহিদুল হক রুমের দরজা বাইরে থেকে তালা আটকে দেন।

সিকিউরিটি কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাহিদ হাসানও ধর্ষণে সহায়তা করে। বেলা আড়াইটার দিকে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর কিশোরী লজ্জায় কাউকে কিছু না বলে পরিচিতের ঐ বাসায় চলে যান। পরবর্তীতে অন্য একটি অনলাইন শপিংয়ে চাকরি নেন। সেখানে চাকরিরত অবস্থায় সহকর্মীদের কাছে ঘটনা খুলে বলেন। সহকর্মীরা তাকে নিয়ে শুক্রবার রাতে বাড্ডা থানায় এসে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

এসআই জানায়, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তরুণীকে গতকাল শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের সহায়তাকারী দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মূল আসামিকে এখনো গ্রেফতার করা যায়নি বলে তার পরিচয় জানাতে রাজি হননি এসআই।