নাগেশ্বরীতে স্বেচ্ছাশ্রমে প্রায় ৩০০ ফুট বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২০, ১৬:০৮

নাগেশ্বরীতে বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া সড়কে স্বেচ্ছাশ্রমে প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছে এলাকাবাসী। শনিবার সকালে পৌরসভার পূর্ব সাঞ্জুয়ারভিটা সড়কের প্রায় আধা কি.মি কাঁচা অংশে এ সাঁকো নির্মাণ করা হয়।

চলতি বন্যায় তলিয়ে গেছে এ সড়ক। প্রথম দফা বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ভেঙ্গে গেছে। দ্বিতীয় দফায় মাটি ক্ষয়ে এর গভীরতা আরো বৃদ্ধি পায়। তৃতীয় দফায় এখনো এর উপর দিয়ে অনেক উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রয়োজনে ভিজে উপজেলা সদরে যেতে হচ্ছে এ এলাকার মানুষদের। অথচ পৌরসভার পূর্ব সাঞ্জুয়ারভিটা গ্রামটি সদর থেকে মাত্র দেড় কি.মি দুরে অবস্থিত। এর সীমান্ত ঘেঁষে বামনডাঙ্গার সেনপাড়া গ্রাম। এ দুই গ্রামে বাস করে প্রায় দেড় হাজার মানুষ। তাদের চলাচলের একমাত্র সড়ক এটি। প্রথম দফার পানি থাকতেই দ্বিতীয়, একইভাবে তৃতীয়। এভাবেই সড়কটি তলিয়ে আছে ২৮ দিন ধরে। তাই বাধ্য হয়ে তারা এ সাঁকো নির্মাণ করে।

স্থানীয় আশরাফ আলী, শহিদুল ইসলাম, লিটন মিয়া, বাচ্চু মিয়া, আব্দুর রশিদ, বেলাল মিয়া, মমিনুল ইসলাম, মুকুল মিয়াসহ অনেকেই জানান পুর্ব সাঞ্জুয়ারভিটা ‘ক’ শ্রেনীর পৌরসভার একটি গ্রাম হয়েও বরাবর অবহেলিত, উন্নয়ন বঞ্চিত। মেয়র মহোদয়কে অনেকবার অনুরোধ করেও কাজ হয়নি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাখেননি। প্রতিবছর বন্যা এলেই সড়কটি তলিয়ে পানির তীব্র স্রোতে ভেঙ্গে যায়। ধারাবাহিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে হতে সড়কটির অবস্থা খুবই নাজুক। অথচ সড়কটির যে অংশ প্রতিবছর ভাঙ্গে সেখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করে অবাধ পানি প্রবাহের ব্যবস্থা করে দিলে হয়তোবা এর ভাঙ্গন ঠেকানো যেত। এছাড়া সড়কটি উঁচু ও পাকাকরণ জরুরী। কিন্তু কে শোনে কার কথা। আমাদের কষ্ট কেউ শোনে না, বোঝে না। আমরা অসহায়, নিরুপায়।

৩নং ওয়ার্ড কমিশনার জামাল উদ্দিন বলেন, রাস্তাটি আমার ওয়ার্ডের। বন্যা কমে পানি সম্পূর্ণ নেমে গেলে এটি সংস্কার করা হবে।

ইত্তেফাক/আরএ