আগামীতে প্রযুক্তি বিশ্ব যেমন হবে

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৪৯

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং :এই দুটি প্রযুক্তি ইতিমধ্যে প্রায় ম্যাচুরিটিতে পৌঁছে গেছে। বর্তমানে এসব প্রযুক্তির ব্যবহারের সীমা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটির কল্যাণজনক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে মানুষের জন্য জীবনযাপন অনেক সহজ হবে। সব জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানো যাবে রোবট দিয়ে।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার :সময়ের সঙ্গে কম্পিউটার পদ্ধতির অনেক পরিবর্তন এসেছে। বলা হয়ে থাকে, ২০০৭ সালে উন্মোচিত প্রথম আইফোন নাসার সর্বপ্রথম কম্পিউটার সিস্টেম থেকে শক্তিশালী ছিল।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার বাণিজ্যিকভাবে সুলভ হলে সেটি হবে আজকের একটি সুপার কম্পিউটারের সমান সক্ষমতার। এ কম্পিউটার সিস্টেমের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট :শিল্প কারখানার প্রডাকশন লাইনে মানুষের চেয়ে রোবট বেশি দেখা যাবে। মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে নির্মিত বিশেষায়িত রোবট অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করবে?

বৈদ্যুতিক গাড়ি :২০৫০ সালের মধ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বেশ বাড়বে। ফাইভজি সার্ভিসের কারণে লেটেন্সি কমে গেলে বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোর বেশিরভাগই হবে ড্রাইভারলেস। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে স্মার্ট ভেহিকল সিস্টেম গড়ে উঠবে।

ফ্লেক্সিবল স্ক্রিন :আগামীতে ফ্লেক্সিবল স্ক্রিনের ব্যবহার মেইনস্ট্রিম হবে। বাড়ির ওয়ালপেপার হিসেবে ব্যবহূত হবে এসব স্ক্রিন। ইউনিফাইড ইলেক্ট্রনিকস সিস্টেমে আপনি আপনার সব ধরনের ইলেক্ট্রনিকস সিস্টেমের তথ্য সেসব ওয়ালপেপারে দেখতে পাবেন। এই প্রযুক্তি শিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাবে। মেডিক্যাল রোবট :ওই সময়ের মধ্যে মানুষের নানান ধরনের অসুখ সারতে রোবটের ব্যবহার বাড়বে। ফাইভজির লো লেটেন্সিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সার্জারিও সম্পন্ন হবে রোবটের সাহায্যে। রোবট কৃষক : কৃষিক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার বাড়বে। বিশ্বের নানান জায়গায় স্বয়ংক্রিয় খামার দেখা যাবে।