টুকিটাকি ...

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ২১:০১

অপেক্ষা বাড়লো মুশফিকের

অপেক্ষা ছিল কেবল ৩৮ রানের। সেটা হলেই টেস্টের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে চার হাজার রানের ক্লাবে চলে যেতে পারতেন। আর প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন বলেই কি-না, মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। কিন্তু, সেটা আর হয়নি। ডোনাল্ড ট্রিপিয়ানোর বলে ব্রেন্ডন মাভুতার হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে সাত রান। এর অর্থ হলো চার হাজার রান থেকে ৩১ রান দূরে থাকতেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষ করতে হচ্ছে তাকে। টেস্টে মুশফিকের রান এখন ৩৯৬৯। সবার ওপরে থাকা তামিম ইকবালের রান ৪০৪৯। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দেশের মাটিতে আসন্ন টেস্ট সিরিজে ওপেনার তামিম না ফিরলে মুশফিক চাইলে সবার ওপরে উঠে আসতেই পারেন। তামিমকে ছুঁতে মুশফিকের দরকার আর মোটে ৮০ রান।

দুই ইনিংসেই ডিক্লেয়ার

নিজেদের ১৮ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মত দুই ইনিংসেই ডিক্লেয়ার করলো বাংলাদেশ। সৌভাগ্যবান অধিনায়কের নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ সাত উইকেটে ৫২২ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। জিম্বাবুয়েকে ৩০৪ রানে অলআউট করার পর ফলোঅনের সুযোগ থাকলেও আবারো ব্যাট করতে নামে রিয়াদের দল। আর নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ছয় উইকেটে ২২৪ রান করে গতকাল চা বিরতিতে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। দুই ইনিংসেই ডিক্লেয়ারের প্রথম নজীর বাংলাদেশ দেখেছিল সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের সৌজন্যে। সেটাও আবার ছিল অধিনায়ক হিসেবে তার প্রথম টেস্ট। ২০১১ সালের অক্টোবরে বৃষ্টি বিঘ্নিত সেই ম্যাচে চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে নয় উইকেটে ৩৫০ রান করে ডিক্লেয়ার করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ডিক্লেয়ার করে মুশফিকবাহিনী। সেই ম্যাচটা ড্র হয়েছিল। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়করা মোট ১২ বার ইনিংস ঘোষণা করে।

অভিষেকেই হাফ সেঞ্চুরি

অভিষেকটা অম্ল-মধুর হলো মোহাম্মদ মিঠুনের। প্রথম ইনিংসে যেখানে তিনি রানের খাতাই খুলতে পারেননি, সেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে বিরুদ্ধ পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ম্যাচের তৃতীয় ইনিংসে তিনি করেন ৬৭ রান। চারটি চার ও এক ছক্কার এই ইনিংসটা শেষ হয় সিকান্দার রাজার বলে উইকেটের পেছনে উইকেটরক্ষক রেগিজ চাকাভার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে। অভিষেকেই হাফ সেঞ্চুরি করা ১৫তম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান তিনি। অভিষেক সবচেয়ে বড় ইনিংস খেলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের মধ্যে এখনো সবার ওপরে আছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট খেলতে নেমেই ১৪৪ রানের অনন্য এক ইনিংস খেলেছিলেন এই ডানহাতি। এছাড়াও অভিষেক টেস্টেই বাংলাদেশের হয়ে সেঞ্চুরি করেছেন আরো দু’জন। ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মোহাম্মদ আশরাফুল করেছিলেন ১১৪ রান। এরপর ২০১২ সালে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আবুল হাসান রাজু করেন ১১৩ রান।