সরকারি কলগুলো বন্ধ

পাটের দামে হতাশ বেড়ার কৃষক

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২০, ২২:২৪

বেড়া উপজেলায় এবার পাটের আবাদ বেড়েছে, ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকের মজুরিসহ উত্পাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা পাট বিক্রি করে ভালো দাম পাচ্ছেন না। এদিকে সরকারি পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণা করায় স্থানীয় বেশির ভাগ ব্যবসায়ীই এবার পাট কিনছেন না। ফলে পাটের দামে হতাশ হয়ে পড়েছেন উপজেলার কৃষকরা।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় সরকারি পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণা করায় চাষিরা পাটের দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। তা সত্ত্বেও বেসরকারি পাটকলের ওপর ভিত্তি করে বাজারে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা মণদরে পাট বিক্রি হচ্ছে। এই দামে কৃষকের খুশি না হওয়ার কথা নয়। কিন্তু উত্পাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এমন দামে কৃষকের শুধু খরচই কোনোমতে উঠছে। তাই কৃষকরা প্রতি মণ পাটের দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করছেন।

উপজেলার বড়শিলা গ্রামের বর্গাচাষি সাইদুল ইসলাম বলেন, অন্যের সোয়া বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছি। এবার শ্রমিকের সঙ্গে নিজেও খেটেছি। কিন্তু যে অবস্থা দেখছি তাতে লাভ তো দূরের কথা, ঘরের টাকা গচ্চা দিতে হবে। বেড়া বাজারের পাট ব্যবসায়ী শামসুল হক বলেন, আমার নিজেরসহ উপজেলার পাট ব্যবসায়ীদের ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা সরকারি পাটকলগুলোর কাছে বকেয়া আছে। এ অবস্থায় অর্থনৈতিক দুরবস্থার কারণে আমরা এবার কেউই পাট কিনছি না। সরকারি পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণা করায় এগুলোর ক্রয়কেন্দ্রও বন্ধ রয়েছে। ফলে স্থানীয় পাট ব্যবসায়ীরা পাট কিনছেন না। পাটকলের সরকারি ক্রয়কেন্দ্রগুলো চালু থাকলে চাহিদা ও দাম আরো বাড়ত।