ক্রিকেটের অনিশ্চয়তাই জিম্বাবুয়ের ভরসা

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ২১:০৪

স্পোর্টস রিপোর্টার

জিম্বাবুয়ের জন্য প্রথম কাজটা প্রায় অসম্ভব। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ম্যাচ জয়ের জন্য আরও ৩৬৭ রান করতে হবে। দ্বিতীয় উপায়টা হলো, এই ৮ উইকেটে সারা দিন কাটিয়ে দেওয়া। তাতে ম্যাচ ড্র হলে সিরিজটা জিতবে তারা। প্রথম সম্ভাবনা নিয়ে জিম্বাবুয়েও এখন আর ভাবছে না। তারা এখন ম্যাচ ড্র করার জন্য ক্রিকেটের গৌরবময় অনিশ্চয়তার দিকে চেয়ে আছে।

জিম্বাবুয়ের কোচ লালচাদ রাজপুত বলছিলেন, ক্রিকেটে এরকম ম্যাচ ড্র করা যায় বলেই তারা আশাবাদী, ‘ক্রিকেট একটা অনিশ্চয়তার খেলা। আপনি কখনোই বলতে পারেন না যে, কী ঘটবে। একটা বা দুটো বড় জুটি হলেই কাজ হয়ে যাবে। এটা হয়েছে। আপনি যদি পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের দিকে তাকান। ওরা (অস্ট্রেলিয়া) এভাবে ম্যাচ বাঁচিয়েছে। খাজা সারাদিন ব্যাট করেছিল। ফলে আমরা আশা করছি, কেউ একজন ঘুরে দাঁড়াবে এবং পুরো সেশন ব্যাট করবে। এটা তিন সেশনের ব্যাপার। এক সেশন ব্যাট করে ফেলতে পারলে বাকি দুই সেশনও ধীরে ধীরে সম্ভব।’

রাজপুত মনে করেন, তারা বোলিংটা এই টেস্টে খারাপ করেননি, ‘আমরা প্রতি ইনিংসে নতুন বলে ভালো করেছি। জার্ভিস ও চাতারা সত্যিই ভালো বল করেছে। আপনি যদি উইকেটের দিকে দেখেন, বল শক্ত থাকতে কিছু মুভ করেছে। কিন্তু বল একবার নরম হয়ে গেলে ব্যাট করা সহজ হয়ে গেছে। এর সাথে চাতারা ইনজুরিতে পড়ায় আমাদের কাজটা কঠিন হয়েছে।’

আজকের প্রথম এক ঘণ্টাই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেবে বলে মনে করেন এই কোচ, ‘প্রথম ঘণ্টাটা মূল ব্যাপার হতে যাচ্ছে। ব্রেন্ডন (টেলর) ও সিন উইলিয়ামস যদি ব্যাট চালিয়ে যেতে পারে, তাহলে চাপটা ফিল্ডিং পক্ষের ওপর চলে যাবে।’ এই ম্যাচটা জিম্বাবুয়ের হাত থেকে ফসকে যাওয়ার কারণ ক্যাচ মিস বলে মনে করেন রাজপুত, ‘আমরা বেশ কিছু ক্যাচ মিস করেছি। তা না হলে গল্পটা অন্যরকম হতে পারতো। মুমিনুলের ক্যাচ ফেলেছি, মুশফিকের ক্যাচ ফেলেছি। একজন ১৬০ করেছে, অন্য জন ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। ক্রিকেটে স্লোগানই হচ্ছে—ক্যাচ ম্যাচ জেতায়।’