দুমকি (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
দুমকি উপজেলা সাতানী আমির উদ্দিন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে অভিভাবকবৃন্দ। উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নানা শ্লোগানের বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
জানা যায়, উপজেলার সাতানী আমির উদ্দিন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১০ ডিসেম্বর অভিভাবক সদস্য পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ ছিল। কিন্তু ২ দিন পেছনের তারিখে গোপন নোটিসে ওই নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন প্রিজাইডিং অফিসার। গত ৭ ডিসেম্বর তারিখে স্বাক্ষরিত স্থগিত নোটিস গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ওই স্কুলের নোটিস বোর্ডে লাগাতে গেলে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েন অফিস সহায়ক গোলাম মোস্তফা। এ গোপন ষড়যন্ত্রে নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, অভিভাবক ভোটার ও স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধ অভিভাবকবৃন্দ নির্বাচন বানচালের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল জব্বার হাওলাদার, দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলী আকবর সিকদারকে দায়ী করেছেন। পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন অভিভাক সদস্যদের পক্ষে মিজানুর রহমান মিজান, আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, জাহাঙ্গীর আলম, শফিক শরীফ প্রমুখ।
বক্তারা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবিলম্বে স্কুলের নতুন ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন দাবি করেন। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানান, আদালতে মামলা থাকায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এখানে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রশ্ন অবান্তর। পেছনের তারিখে নোটিস প্রশ্নে এটি ভুল স্বীকার করেছেন।
প্রধান শিক্ষক আ. জব্বার হাওলাদার বলেন, ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্নের পর আমার কোনো দায়িত্ব নেই। তফসিল ঘোষণা ও নির্বাচন করা না করা প্রিজাইডিং অফিসারের বিষয়। এখানে আমার কিছু করণীয় নেই।
