গঙ্গাচড়ায় এ বছর পাটের আবাদ কমেছে। কৃষি বিভাগ গতানুগতিক হিসেব দেখালেও মাঠে পাট আবাদ অনেক কম। এদিকে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উত্পাদন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের পাট চাষে উদ্বুদ্ধ করণের জন্য উপজেলার ২ হাজার পাট চাষিকে বিনা মূল্যে পাট বীজ ও সার দেওয়া কর্মসূচিও কোনো কাজে আসেনি। এখনো অনেকেই বীজ ও সার পায়নি। পাট চাষে প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় এ বছর পাটের ফলন কম হবে বলে খোদ কৃষি বিভাগও মনে করছেন।
কৃষকরা জানান, পাট চাষের শুরু থেকে বৃষ্টি। আর সেই বৃষ্টির কারণে বীজ বপন থেকে শুরু করে নিড়ানি পর্যন্ত ঠিকমতো করতে পারেনি। এ কারণেই পাট চাষ করে লোকসান গুনেছেন অনেক কৃষক। অনেকে আবার পাটগাছ আগাম কেটে খড়ি করেছে। সেখানে আগাম ধান লাগিয়েছেন। তাছাড়া অবিরাম বৃষ্টির কারণে পাটগাছ লম্বা কিংবা মোটা হয়নি। ফলে এ বছর পাটের ফলন অনেক কমবে বলে আশঙ্কা করছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পাটগাছ পানিতে তলিয়ে আছে। নিড়ানি করার সুযোগ না পাওয়ায় পাটগাছের বাড়ন্ত নেই এবং লিকলিকে। গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল পাটগাছ কেটে খড়ি করেছে। আফজাল, বিজয়, বম্বুও খড়ি করেছে। তারা বলেন, এবার সব লস। কৃষকরা পাট কাটা ও ধোয়া কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৭ হেক্টর জমিতে। সেখানে পাট আবাদ হয়েছে প্রায় ২ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে।
