নারায়ণগঞ্জে বামপন্থিরা পেয়েছেন মাত্র সাড়ে চার হাজার ভোট!

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২৩:৫৭

সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে ৮ বামপন্থী নেতা অংশগ্রহণ করেন। ৫টি আসনে প্রদত্ত (কাস্টিং) ১৬ লাখ ২ হাজার ২৩০ ভোটের মধ্যে বাম সংগঠনের ৮ প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৪৭৬ ভোট। নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে মোট ভোটার ছিলেন ২০ লাখ ৩৪ হাজার ২৪৫ জন। মোট ভোটারের ৭৮.৭৬ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার পাঠানো ভোটের তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।

নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। অন্যদিকে ২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বাসদ। মাত্র ১টি আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী ছিল। রূপগঞ্জ আসনে সিপিবির প্রার্থী মনিরুজ্জমান চন্দন পেয়েছেন ৩৩৭ ভোট। এই আসনে মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩১২টি। আড়াইহাজার আসনে সিপিবির প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম পেয়েছেন ১ হাজার ৯৩৫ ভোট। এই আসনে মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬২৪টি। সোনারগাঁ আসনে সিপিবির প্রার্থী সালাম বাবুল পেয়েছেন ৩৮৫ ভোট। এ আসনে মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৬৬টি। ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে সিপিবির প্রার্থী ইকবাল হোসেন পেয়েছেন ২৯৯ ভোট, বাসদের প্রার্থী সেলিম মাহমুদ পেয়েছেন ৩৩৫ ভোট ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী মাহমুদ হোসেন পেয়েছেন ২৯০ ভোট। এ আসনে মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৯৬৬টি।

সদর-বন্দর আসনে সিপিবির প্রার্থী মন্টু চন্দ্র ঘোষ পেয়েছেন ১৮১ ভোট ও বাসদের প্রার্থী আবু নাঈম খান বিপ্লব পেয়েছেন ৭১৪ ভোট। এই আসনে মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার ১৬৩টি।