কেমন গেল এবারের ঈদুল আজহা

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২০, ২১:৪৫

একদিকে করোনা আইরাসের আতঙ্ক, অন্যদিকে বন্যার দুর্গতি। এই দুই পরিস্থিতির মধ্যে কেমন কাটল এবারের ঈদুল আজহার ছুটির দিনগুলি? টেলিফোন ও ইমেইলে আমাদের পাঠকরা সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন। জানিয়েছেন তাদের অভিমত

করোনা মহামারির চলমান দুঃসময়ে ও বন্যার আকস্মিক আঘাতে ত্যাগ ও অফুরান আনন্দের ঈদুল আজহা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান ও ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীদের মনে যথাযথ খুশি বয়ে আনতে পারেনি। করোনার অব্যাহত ধাক্কা অর্থনৈতিকভাবে যাদের খাদের কিনারায় নিয়ে গিয়েছিল, দীর্ঘমেয়াদি বন্যা তাদের খাদেই ফেলে দিয়েছে। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও আর্থিক দৈন্যে অনেকেই যেমন কোরবানি দিতে পারেননি তেমনি করোনা সংক্রমণের ভয়ে দূরে থাকা আত্মীয়বর্গের সান্নিধ্যেও যেতে পারেননি। সার্বিক পরিস্থিতির কারণে সামর্থ্যবানদের ঈদ আনন্দ, নামাজ আদায় এবং পশু কোরবানি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। সব মিলিয়ে এবারের ঈদ মহান আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে অনেকটা ধর্মীয় নিয়মরক্ষার তাড়নায় উত্সবের আবহ ছাড়াই কেটে গেছে।

আবু ফারুক, বনরূপা পাড়া সদর, বান্দরবান

একদিকে করোনা অন্য দিকে বন্যা, দেশের অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল কমবেশি বন্যায় পানির নিচে। রাজধানী ঢাকার আশপাশ বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। প্রত্যেক বিল্ডিংয়ের নিচতলায় পানি, গ্রামের পর গ্রাম পানির নিচে আগেই তলিয়ে গেছে ? বন্যা ও চারদিকে করোনা মহামারির কারণে অনেকে নিজের মতো করে ঈদ উদ্যাপন করতে পারেননি এবার। বলতে গেলে, বিষণ্নতায় ভরা ছিল ঈদ।

সাদিয়া সুলতানা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ

সাভার, ঢাকা।

ঈদুল আজহায় ছিল না কোনো আনন্দের আমেজ, ভেদরগঞ্জ, সখীপুর চর এলাকার জনপদে। এই এলাকা জোয়ারের পানিতে ভাসে, ভাটার টানে জেগে উঠে, কোথাও কোথাও পানি থেকে যায়। কেউ রাখেনি আমাদের খবর। করোনা ভাইরাস আতঙ্ক, বন্যায় নদীভাঙনের ভয়, চরবাসীর এ দুশ্চিন্তায় ভালো যায়নি ঈদুল আজহার দিন।

কাউসার সরকার

আনুসরকারের কান্দী,সখীপুর

ভেদরগঞ্জ , শরীয়তপুর।

মাত্র কদিন আগে পালিত হলো মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উত্সব পবিত্র ঈদুল আজহা। করোনা মহামারির কারণে কিছুটা কম হলেও সারা দেশে এখনো রয়েছে ঈদুল আজহার আমেজ। কিন্তু বন্যায় ভেসে গেছে বন্যাকবলিত ৩১ জেলার ঈদ আনন্দ। তিন দফা বন্যায় প্রায় ১০ লাখ পরিবার পানিবন্দি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লক্ষাধিক মানুষ। এক মাসেরও অধিক সময় ধরে এসব জেলার মানুষ বানের পানিতে ভাসছে। এর ওপর কোথাও কোথাও শুরু হয়েছে ভয়াবহ নদীভাঙন। এটা যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। এতে চোখের পলকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে নদীতীরের অনেক মানুষ। চাঁদপুর ও মাদারীপুরে দুইটি স্কুল ভবন চোখের পলকে নদীতে হারিয়ে যায়। একবুক স্বপ্ন চিরতরে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এ অবস্থায় বানভাসি মানুষের ঈদের আনন্দ দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। পানিতে ভাসা বেশির ভাগ মানুষের সাধ্য ছিল না এবারের ঈদে পশু কোরবানি দেওয়ার। ভুক্তভোগীদের মতে, যেখানে জীবনই বাঁচে না, সেখানে কিসের ঈদ! তারা তাকিয়ে আছে সরকারের ত্রাণ সহায়তার দিকে।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

প্রতি বছর ঈদ আসার বেশ কয়েক দিন আগে থেকেই শুরু হতো ঈদ আনন্দ। বাস-ট্রেনে বাড়ি ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভিড়। টিভির পর্দায় ঈদ আয়োজন আর কিছুক্ষণ পরপর ‘স্বপ্ন টানে দিলাম পাড়ি, অচিন পথে আপন ছাড়ি’ গান। মনের ভেতর হাজার জল্পনাকল্পনা চলত ঈদে এটা করব, ওটা করব। এবার নিয়ে দুই বার হঠাত্ করেই এক অজানা, অনাকাঙ্ক্ষিত অতিথি এসেছে, যে শুধু একটি শহর অথবা দেশেই অবস্থান করছে না, অবস্থান করছে পুরো বিশ্ব জুড়ে। এই অতিথিকে নিয়েই আমরা মুসলিম সম্প্রদায় পালন করলাম এই বছরের দুটি ঈদ। ঈদুল ফিতরে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ছিল না নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার সেই চিরচেনা দৃশ্য। ছিল না কোনো উত্সব আমেজের চিরাচরিত ঘটনা। তারপরেও বাড়ির ভেতর কিছু মানুষ এক হয়ে ঈদ করা দেখছি, তখন মনে হয়েছিল আহারে! এতটা সাহসী যদি আমিও হতাম?

বিলকিছ আক্তার

কাউনিয়া, রংপুর

ঈদ মানে খুশি, কিন্তু সেই খুশি কি সবার মনে ছিল আমাদের বিগত দুটি ঈদে? প্রতি মুহূর্তে একটি ভয় নিয়ে চলতে হয়েছে বাইরে বের হলেই! আসলে এটা আমাদের জন্য নতুন একটি অভিজ্ঞতা। এবারের ঈদের পুরোটা সময় বাসাতেই কাটিয়েছি। স্বাভাবিকভাবেই বাসায় কোনো আত্মীয়-স্বজন তেমন একটা আসেনি। আমিও কোথাও যাইনি। বন্ধুদের সঙ্গে খুব একটা দেখাও হয়নি! আসলে ঈদ কেমন কেটেছে, সেটা জানি না। তবে এমন ঈদ যেন আমাদের জীবনে না আসে, সেটাই চাইব আন্তরিকভাবে।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি লাঘবে সরকারের ভূমিকাই প্রধান। দেশের নদ-নদীগুলোর নাব্যতা বাড়িয়ে পানির ধারণক্ষমতা বাড়াতে হবে। নদী ভরাটের পথ বন্ধ করে পানিপ্রবাহের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনতে হবে। এছাড়া স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং অধিক বন্যাপ্রবণ এলাকায় কৃষিকাজের জন্য উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতে জোর দিতে হবে। মানুষের গৃহপালিত পশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। সর্বোপরি, বন্যাকালীন সময়ে শিশু, মহিলা ও বৃদ্ধদের অতিদ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

মোহাম্মদ ফয়সাল

১৪৬, ডিটি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম

ধনী-দরিদ্র একত্রে ঈদ উদ্যাপনে ও ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে ভালোবাসা হবে অটুট। ঈদুল আজহায় ছিল নানা বাধা। বিনিময় হয়নি অনেক স্থানে ঈদের শুভেচ্ছা। মন খুলে আনন্দে মেতে ওঠেনি মুসলিম জনপদ। ধরাবাধা নিয়মের ঈদে ছিল করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক। বন্যায় মানুষ ঘরবন্দি, ইচ্ছে থাকলেও আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে মিলিত হতে পারেননি অনেকেই। কোরবানির পশু জবাই করতে পারেননি অনেক স্থানে। অন্যত্র নিয়ে করতে হয়েছে পশু কোরবানি। সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বন্যায় ঘরবন্দি দরিদ্র মানুষের মধ্যে এক টুকরা গোশতও পৌঁছায়নি অনেক স্থানে।

জিয়াউল হক সরকার

পূবাইল,গাজীপুর

পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলমানদের  অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উত্সব। একদিকে করোনা, অন্য দিকে বন্যা। করোনা আতঙ্ক ও বন্যার কারণে ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। রাজধানী ঢাকা বা দেশের অন্য এলাকায় যারা জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে থাকেন, তারা অনেকেই বরাবরের মতো গ্রামের বাড়ি গেছেন কষ্ট ভোগ করে। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে স্বজনদের কাছে ছুটে গেছেন। ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঈদের নামাজ শেষে মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ে পশু কোরবানি দেন। মহামারির কারণে কিছুটা কম হলেও সারা দেশে বিরাজ করছে ঈদের আমেজ।

মোহাম্মদ শহীদউল্যা

হকভিলা, মেরাদিয়া, ঢাকা

দুর্যোগকালীন সময়ে পালিত হলো ঈদুল আজহা। ঈদে উত্সবের চিরচেনা ও প্রত্যাশিত আনন্দ ছিল না। স্বাস্থ্যবিধির বেড়াজালে ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায়ের আনন্দ যেমন পাওয়া যায়নি, তেমনি আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির সুযোগও হয়নি। করোনা আতঙ্ক আর আর্থিক দৈন্যতায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য এবারের ঈদ ছিল বছরের আর সব সাধারণ দিনের মতোই। করোনা ও বন্যার দ্বিমুখী বাধায় ঘরে ঘরে দাওয়াত, বেড়ানো আর উত্সবমুখরতার বদলে সাদামাটাভাবেই কেটেছে আনন্দের এই বিশেষ উপলক্ষ্য। চাপা আতঙ্ক, অভাব আর অনিশ্চিত ভবিষ্যত্ ভাবনা এবছরের দুটি ঈদেই বেশির ভাগ মানুষের ছিল ছায়াসঙ্গী।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে মহামারি করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের ঝুঁকি নিয়েই গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন লাখো কর্মজীবী মানুষ। একদিকে করোনা, অন্যদিকে বন্যার দুর্গতি— এই দুই দুর্গতি নিয়ে এবার মানুষ ঈদুল আজহা কাটিয়েছেন। চোখে-মুখে আনন্দের ছাপ থাকলেও আনন্দ যেন এবার নিরানন্দ হয়ে উঠেছে।

রাসেল

বাসাবো, ঢাকা

করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ও বন্যার দুর্গতি নিয়েও ঈদের আনন্দ স্বজনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার জন্য বহু মানুষ শিকড়ের টানে গ্রামে গিয়েছিলেন। ঈদের ছুটি শেষে তারা এখন রাজধানীতে ফিরছেন। এবার সবচেয়ে কষ্ট লেগেছে বানভাসি মানুষকে দেখে । বন্যার কারণে নদীভাঙনে বহু মানুষ বসবাসের স্থান হারিয়েছেন।  তাই দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করতে হবে। গৃহহীনদের থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলেই আমাদের সব কিছু সার্থক হবে।

মেজবাউদ্দিন সেলিম

ইব্রাহিমপুর, ঢাকা-ক্যান্ট, ঢাকা

করোনা ভাইরাস নামে একটি বিশ্বমহামারি চলছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বৃহত্ এলাকা জুড়ে চলছে বন্যা । যার কারণে ঈদের আনন্দ মানুষ খুব একটা উপভোগ করতে পারেননি। গত বছরের তুলনায় এবার মানুষ কোরবানিও করেছে  কম।

সাইফুল ইসলাম তানভীর

বারিধারা, গুলশান, ঢাকা

ঈদের প্রধান আকর্ষণ ঈদগাহে জামাতে নামাজ পড়ে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে শুভেচ্ছা বিনিময় করা। এটি এবার ছিল না। শুভেচ্ছা বিনিময় করেননি মহামান্য রাষ্ট্রপতি। তার ভাই হারানোর ব্যথা নিয়ে দরবার হলে অশ্রুসজল চোখে সামান্যসংখ্যক মুসল্লি নিয়ে তিনি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। আমাদের বর্তমান চলমান, কিন্তু ভবিষ্যত্ অজানা অন্ধকারে ঢাকা। জানি না আর কত দুঃসংবাদ বহন করতে হবে আমাদেরকে।

খন্দকার কামরুজ্জামন

 উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা

বিশেষ করে করোনায় পালটে গেছে মানুষের জীবনচিত্র। স্বাস্থ্যসতর্কতা মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে দেশে দেশে। এরপরেও আমাদের দেশের মানুষ প্রথমত করোনা ও দ্বিতীয়ত বন্যার দুর্গতি— এই দুইয়ের মধ্যে থেকেও গ্রামে গেছেন স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার জন্য। কিন্তু প্রতিবারের মতো এমন ঈদ এবার হয়নি। মানুষের মনে এক ধরনের কষ্ট ছিল। আনন্দ ছিল না। সবমিলিয়ে এবারের ঈদ কেটেছে অনেকটা নিরানন্দের মধ্যে।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

করোনা ও বন্যা আমাদের এবারের ঈদুল আজহাকে অনেকটা ম্লান করে দিয়েছে। করোনা মহামারির কারণে এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হয়েছে ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে। এছাড়া দেশের বড় অংশে রয়েছে বন্যাকবলিত স্থানসমূহ। মানুষের চোখেমুখে ছিল অনেকটা ভীষণ্নতার ছায়া। ‘ঈদ মানে আনন্দ, ভেঙে যায় নিদ’। যেমনটি এবার ছিল না। তবে এই ঈদে করোনার মৃত্যুর হার পাঁচ দিন কম ছিল। সেজন্য মহান আল্লাহ্পাকের দরবারে হাজারও শুকরিয়া।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

এবারের ঈদ খুব একটা ভালো কাটেনি। একদিকে করোনা মহামারি ভাইরাসের আতঙ্ক, অন্যদিকে বন্যার দুর্গতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এই দুইয়ের মধ্যে মানুষের আনন্দ অনেকটা হাওয়া হয়ে গেছে।

এর পরেও মানুষ নাড়ির টানে গ্রামে গেছেন। যাদের মা-বাবা, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজন সেখানে রয়েছে। তাদের সাথে এক সঙ্গে ঈদ করার জন্য। এবার ছুটি ছিল কম। তাই কর্মজীবীরা ঈদের পরদিন থেকেই ফিরতে শুরু করেছেন।

মো. মারুফুজ্জামান

মুগদা, ঢাকা

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে ও বন্যার দুর্গতির কারণে এবার ঈদ ভালো কাটেনি—এ কথা সত্য। প্রতি বছরই আমাদের ঈদ আনন্দে কাটে—এবার ব্যতিক্রম ঘটেছে। তবে আমরা মনে করি, এই সময়ে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো দরকার সমাজের সব শ্রেণির মানুষের।

মামুন

বংশাল, ঢাকা

এবার ছুটি ছিল কম। ঈদের কেনাকাটা তেমন ছিল না। গরুর চামড়া নিয়ে বিভিন্ন এলাকার খুচরা ব্যবসায়ী ও বড় ব্যবসায়ীরা পড়েছে বিপাকে। এমন অবস্থা আমরা কামনা করিনি।

ফারুক

মালিবাগ, ঢাকা

বিভিন্ন স্থান বন্যায় ভেসে গেছে। মানুষের আহাজারি চলছে। দেখা যাচ্ছে ত্রাণের অভাব। সেই সঙ্গে আছে করোনা সংক্রমণের ভয় ও আতঙ্ক। যদিও পাঁচ দিন মৃত্যুর হার কম ছিল।

বিপ্লব

উর্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা।