করোনাকালে গর্ভবতী নারীরা থাকেন আরো বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত।
যদিও স্বাভাবিক সময়ে এই অভিজ্ঞতা সুখকর হয়ে থাকে, তবে করোনা
ভাইরাস রোগের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা করা সন্তানপ্রত্যাশী মায়েদের
জন্য সময়টি ভয়, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তায় ভরে উঠেছে। নারীরা কীভাবে নিজেদের ও তাদের ছোট্ট শিশুটিকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন, সে বিষয়ে জানিয়েছেন
ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভসের সভাপতি
ফ্রাংকা ক্যাদির। ধারাবাহিকভাবে এটি প্রকাশিত হবে।
এক. প্রসব-পূর্ব চেকআপ চালিয়ে যাওয়া কি নিরাপদ?
গর্ভবতী মায়েরা অনেকে যখন ঘরে ও বাইরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন, সেই মুহূর্তে চেকআপের জন্য চিকিত্সকের কাছে যাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে ভীতি কাজ করছে। আপনি বিশ্বে এই মুহূর্তে অনেকগুলো অভিযোজনের ঘটনা ঘটতে দেখছেন, যেখানে ধাত্রী কিংবা মিডওয়াইফরা ফোনের মাধ্যমে চিকিত্সাসেবা প্রদান করছেন বা সুনির্দিষ্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট করছেন, যাতে শিশুর অবস্থা ও বৃদ্ধি পর্যালোচনা সংক্রান্ত অ্যাপয়েন্টমেন্ট সংক্ষিপ্ত করা যায়। তিনি নিজেদের ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সংক্রমিত হওয়া থেকে সুরক্ষিত রাখতে গর্ভবতী নারীরা তাদের স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে কম দেখা করার পরামর্শ দেন। খুব প্রয়োজন হলেই তারা সরাসরি দেখা করবেন। তবে গর্ভবতী মায়ের নিম্ন ও উচ্চঝুঁকি বিবেচনায় এই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে। মায়েদের প্রতি ক্যাদির পরামর্শ হচ্ছে— ‘স্বাস্থ্যকর্মী ও নিজ কমিউনিটিতে তাদের জন্য কী ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে তা খুঁজে দেখা। যেমন যে ব্যক্তি যত্ন নিচ্ছেন, তিনি পুরোপুরি আপনার প্রয়োজনগুলোর জন্য প্রস্তুত কি না। সাধারণত ধাত্রীরা বিষয়টি ভালো বোঝেন।’
সন্তানের জন্মের পর নিয়মিত টিকাসহ পেশাগত সহায়তা ও দিকনির্দেশনা গ্রহণ অব্যাহত রাখারও গুরুত্বারোপ করেন ক্যাদির। আপনার ও আপনার শিশুর জন্য এসব বিষয়ে সহায়তা গ্রহণের সবচেয়ে নিরাপদ উপায় সম্পর্কে স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে কথা বলুন।
—সূত্র ও ছবি: ইন্টারনেট
