ডিআরএস সংকট

দুই-তিনদিনের মধ্যেই আলট্রা এজ

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:২০

স্পোর্টস রিপোর্টার

এবারই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত রিভিউয়ের ব্যবস্থা বা ডিআরএস। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার। বিশেষ করে এবারের বিপিএলে অস্ট্রেলিয়াসহ বাকি বিশ্বের খুব চোখ রয়েছে। কারণ, এবারই এখানে অংশ নিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার দুই সুপার স্টার স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার।

এমন অবস্থায় ডিআরএস নিয়ে আসার সিদ্ধান্তটা প্রশংসার ছিল। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয়েছে, ডিআরএস ঠিকমতো ফল দিতে পারছে না। কারণ, এই ব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ স্নিকোমিটার বা আলট্রা এজ এখানে নেই। ফলে সূক্ষ্ম ক্যাচের আবেদনের ক্ষেত্রে বল ব্যাটে লেগেছে কি না, সেটা বোঝার কোনো উপায় এই ব্যবস্থায় নেই। এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্মিথ এই ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে বিতর্কিতভাবে আউট হয়েছেন।

এ অবস্থায় আশার কথা শোনালেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক জালাল ইউনুস। তিনি বললেন, বিপিএলের টেলিভিশন সম্প্রচারের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে বলে দেওয়া হয়েছে। তারা আলট্রা এজ আনার ব্যবস্থাও শুরু করেছে। দুই-তিনদিনের মধ্যে এটা কাজ শুরু করবে, ‘ওদের বলা হয়েছে। আলট্রা এজ ছাড়া তো ডিআরএস চালানো কঠিন। ওরা আনতে দিয়েছে। দুই-তিনের মধ্যে এটা ব্যবহার শুরু হয়ে যাবে।’

জালাল ইউনুস বলছেন, কিছুটা ভুল বোঝাবুঝির কারণে আসলে আলট্রা এজটা শুরু থেকে ছিল না। তিনি পরিষ্কার করে বললেন, ‘এটা আসলে দেখার দায়িত্ব ছিল যারা টেন্ডারের কাগজপত্র দেখেছে, তাদের। ওখানে আল্ট্রা মোশন ছিল দেখে সেটাকে আলট্রা এজ ভেবে অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়েছে। একটা ভুল বোঝাবুঝিমাত্র।’

জালাল ইউনুস বললেন, এখন যে ব্যবস্থা আছে, তা দিয়েই আলট্রা এজ না আসা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ভালো সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, ‘আলট্রা মোশন আছে, শুধু আল্ট্রা এজটা নেই। আমরা ওদেরকে এটা বলেছি। ওরা বলেছে, এখন স্লো মোশন করে দেখছে। সেটি দিয়ে যদি কাভার না করা যায়, তাহলে তারা আলট্রা এজের ব্যবস্থা করবে।’

জালাল ইউনুস বলছিলেন, দর্শকদের জন্য যা কিছু ভালো হয় এবং স্বচ্ছ খেলা পরিচালনার জন্য যা কিছু দরকার, তাই করতে চান তারা, ‘আলট্রা মোশন দিয়ে শুরু করা হয়েছিল, এটার চেয়ে আলট্রা এজ টেকনোলজি ভালো, সেটা ইংল্যান্ড থেকে আসছে, আমরা আশা করছি দুই-তিনদিনের মধ্যে সেটা চলে আসবে। প্রায় ৩৪টি ক্যামেরা রয়েছে, সঙ্গে আছে বল ট্র্যাকিং- যাতে দর্শকদের জন্য ভালো হয়। নতুন দায়িত্ব দিয়েছি ওদের।’